× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১১:২০ পিএম

গোপনে ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে থানায় পাঠালেন এসিল্যান্ড

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১১:২০ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লার চান্দিনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে ভিডিও ধারণ করায় মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নূরের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে চান্দিনা উপজেলা ভূমি অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন- দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি রাসেল সরকার এবং ফেস দ্য পিপল ও দৈনিক আমার শহর পত্রিকার দেবিদ্বার প্রতিনিধি আব্দুল আলীম।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুল আলীম বলেন, আমার আপন খালাতো বোনের নামজারি নিয়ে গত এক বছর ধরে ঘোরাচ্ছেন এসিল্যান্ড ফয়সাল আল নূর। বুধবার ওই নামজারির শুনানির দিন ছিল।

আব্দুল আলীম বলেন, বুধবার সকাল ১১টার দিকে আমরা ভূমি অফিসে যাই। দুপুর ২টা বাজার ২০ মিনিট আগে আমরা এসিল্যান্ডকে জিজ্ঞেস করি, শুনানিটি আজ হবে কি না। এ সময় এসিল্যান্ড উত্তেজিত হয়ে আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করেন।

তিনি আরও বলেন, আমি পকেট থেকে মোবাইল ফোন বের করে তার খারাপ আচরণের ভিডিও ধারণের সময় তিনি বিষয়টি টের পান। এ সময় আমার কাছ থেকে জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিতে চাইলে আমি বাধা দিই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এসিল্যান্ড পুলিশকে ফোন করে আমাকে এবং সাংবাদিক রাসেল সরকারকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যেতে বলেন। এরপর পুলিশ আমাদের হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যায়।

আব্দুল আলীম বলেন, থানায় নেওয়ার পর আমার কাছ থেকে জোর করে মোবাইল ফোন নিয়ে লক খুলে গ্যালারির সব ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলা হয় এবং জোর করে মুচলেকা নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নূর বলেন, আমার দপ্তরে মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও ধারণ এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার কারণে তাদের থানায় নেওয়া হয়।

চান্দিনা থানা পুলিশের ওসি আতিকুর রহমান বলেন, আমরা এ ঘটনায় কোনোভাবে জড়িত নই। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে আদেশ দিয়েছেন, আমরা সেটিই পালন করেছি।

দুই সাংবাদিকের হাতে হাতকড়া পরা একটি ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকেরা সমাজের বিবেক। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। কাজ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা ভুল করলে প্রেস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু দুজন সাংবাদিকের হাতে হাতকড়া পরিয়ে আমাদের হৃদয়ে আঘাত করা হয়েছে। আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই।

কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, আমরা খুবই বিব্রত। আমরা এখনও পুরো বিস্তারিত জানতে পারিনি। বিস্তারিত জেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!