× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৯:২৩ এএম

চরাঞ্চলে ভুট্টা চাষ ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৯:২৩ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলায় অনুকূল আবহাওয়ার কারণে গারো পাহাড়ের পাদদেশ, সীমান্তাঞ্চল ও চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। ভুট্টার ফলন ভালো হওয়ায় কৃষক-কৃষাণীর মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি।

এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন সীমানাবর্তী চরাঞ্চলের কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ায় স্বল্প খরচে ভালো ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার ভুট্টা চাষে কৃষকদের ঝোঁকও বেড়েছে।

কৃষি বিভাগের মতে, ভুট্টা চাষে খরচ কম, ফলন ভালো এবং বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে এ ফসলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। সেই আশায় সীমান্ত ও চরাঞ্চলের কৃষকেরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। কৃষকদের পাশাপাশি মাঠে সক্রিয় রয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারাও।

বকশিগঞ্জ কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপজেলায় ৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে।

অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। এতে প্রায় ৫৩ হাজার টন ভুট্টা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে পারে।

গাজীরপাড়া গ্রামের কৃষক সেকান্দর গাজী জানান, এবার ৬ একর জমিতে ভুট্টা চাষ করেছি। ভুট্টার পাতা গরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করি। ফলে গবাদিপশুর খাবার নিয়ে কোনো চিন্তা থাকে না। উৎপাদন খরচ কম এবং দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন।

সাধুরপাড়া গ্রামের কৃষক আমজাত আলী বলেন, কৃষি অফিস থেকে বীজ ও সার দেওয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। তাই বাজার থেকে হাইব্রিড বীজ, সার ও কীটনাশক কিনে ব্যবহার করতে হয়েছে। তবে এসব উপকরণের দাম কম হলে কৃষকদের জন্য আরও ভালো হতো।

বকশিগঞ্জ উপজেলা কৃষিবিদ আমিনুল ইসলাম বলেন, সব ধরনের ফসল উৎপাদনে আমরা কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছি। কৃষকরা যেন সহজে বীজ, সারসহ কৃষি উপকরণ পায়, সে জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।

এবার ভুট্টার আবাদ ও ফলন গতবারের চেয়ে বেশি হয়েছে এবং বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভুট্টা চাষের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় এ উপজেলায় ইরি-বোরো ধানের আবাদ কিছুটা কমেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্যশস্য উৎপাদন হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!