× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৬:১২ পিএম

বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্নে নতুন গতি

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৬:১২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার গঠন করেছে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি, যা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) আলিফ রুদাবা। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, ড. মাছুমা হাবিব, সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, ড. মোহা. হাছানাত আলী, উপাচার্য, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়, জহিরুল ইসলাম, মো. ফাহিম ফয়সাল, নাঈম খন্দকার (সদস্য সচিব) কমিটিকে মাত্র ৮ কর্মদিবসের মধ্যে বিদ্যমান আইন সংশোধন করে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কাজের অর্ধেক সময় পার হয়ে গেছে এবং সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক।

কেন পরিবর্তন?

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ সংশোধনের মাধ্যমে এটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। বিদ্যমান আইনের বাস্তবসম্মত সংশোধন কাঠামোগত পরিবর্তন পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমার্জন। এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বগুড়া প্রেসক্লাবে বক্তব্য দিতে গিয়ে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। দীর্ঘ ইতিহাস: ২০০১ থেকে ২০২৬, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পথচলা দীর্ঘ ও জটিল, ২০০১ (১৫ জুলাই): জাতীয় সংসদে আইন পাস, ২০১৮: নানা জটিলতায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ,২০২৩ (১০ মে): আইন বাস্তবায়নে সরকারি প্রজ্ঞাপন, ২০২৫ (৩ জুন): উপাচার্য হিসেবে ড. মো. কুদরত-ই-জাহান নিয়োগ, ২০২৬ (২০ জানুয়ারি): বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রাথমিক প্রশাসনিক অনুমোদন।

বর্তমানে বগুড়া শহরের উপশহরে অস্থায়ী কার্যালয় থেকে কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি ছিল। একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হলে বগুড়ায় যুক্ত হতে পারে, একাধিক অনুষদ, বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্স, গবেষণা কার্যক্রম, আধুনিক ক্যাম্পাস ও অবকাঠামো এটি শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানেও বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
 
দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষা, বারবার স্থবিরতা আর অনিশ্চয়তার পর বগুড়ার বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্ন আবার নতুন গতি পেয়েছে। ৮ দিনের মধ্যে আইন সংশোধন কতটা বাস্তবসম্মত হয়, আর কবে সত্যিই বগুড়াবাসী একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে পা রাখবে।

Link copied!