× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বাসাইল টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম

৩০ টাকার জন্য কিশোরকে মারধর, কেটে ফেলা হয়েছে অণ্ডকোষ

বাসাইল টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের বাসাইলে সিগারেট খাওয়ার জন্য ৩০ টাকা না পেয়ে এক কিশোরকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তির পর ওই কিশোরের একটি অণ্ডকোষ কেটে ফেলতে হয়েছে। বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ভুক্তভোগী শাহজালাল মিয়া (১৬)।

আহত শাহজালাল উপজেলার কাউলজানী চরপাড়া (জুম্মন বাড়ি) এলাকার ভ্যানচালক শফি মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগীর বাড়িতে সরেজমিনে গেলে সাংবাদিক আসার খবর পেয়ে স্থানীয়রা জড়ো হন। তারা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্তরা হলো, একই এলাকার ছানোয়ার সিকদারের ছেলে রাকিব সিকদার ও বারেক মিয়ার ছেলে তারিকুল মিয়া। এ ঘটনায় বাসাইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি এশার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় কিতাব আলীর দোকানের পেছনে রাকিব সিকদার ও তারিকুল মিয়া ভুক্তভোগী শাহজালালের পথরোধ করে। এ সময় তার কাছে সিগারেট খাওয়ার জন্য ৩০ টাকা চাওয়া হয়। টাকা না দেওয়ায় তারা তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে তার মুখ ও অণ্ডকোষ চেপে ধরে লাথি মেরে পাশের খাদে ফেলে দেয়। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।

পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ সময় তার অণ্ডকোষে পচন দেখা দেয়। উপায়ান্তর না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালসহ শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা করান। একপর্যায়ে গত ২৮ মার্চ শহরের আমিনা ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি অণ্ডকোষ অপসারণ করা হয়। বর্তমানে সে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ পর্যন্ত তার চিকিৎসায় প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ধারদেনা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তার চিকিৎসা চলছে।

স্থানীয়রা জানান, শাহজালালের বাবা শফি মিয়া একজন ভ্যানচালক। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে, যারা মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী। এমন অসহায় পরিবারের ছেলেকে এভাবে মারধর করা অমানবিক। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ভুক্তভোগী শাহজালাল জানায়, ‘আমি মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। এ সময় রাকিব ও তারিকুল আমাকে আটকিয়ে ৩০ টাকা চায়। টাকা না দেওয়ায় তারা আমাকে মারধর করে। অণ্ডকোষ চেপে ধরে লাথি মেরে আমাকে নিচে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার একটি অণ্ডকোষ কেটে ফেলতে হয়েছে।’

শাহজালালের বাবা শফি মিয়া বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। স্থানীয়দের সহায়তায় শহরের আমিনা ক্লিনিকে অপারেশন করে আমার ছেলের একটি অণ্ডকোষ কেটে ফেলতে হয়েছে। অপরটিতেও পচন ধরেছে। এ পর্যন্ত চিকিৎসায় প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

বাসাইল থানার এসআই রেজাউল করিম বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।’

Link copied!