× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০৭:০০ পিএম

খেলার সময় বল দেখে গরুর দৌড়, মারধরে আহত কিশোরের মৃত্যু

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০৭:০০ পিএম

নিহত কিশোরের পরিবারের আহাজারি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নিহত কিশোরের পরিবারের আহাজারি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বরগুনার তালতলীতে ফুটবল খেলা চলাকালে বল দেখে গরু দৌড়ে পালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে হযরত আলী (১৪) নামে এক কিশোর খেলোয়াড়কে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

শনিবার (২৫ এপ্রিল) উপজেলার হরিণখোলা গ্রামে এই মারধরের ঘটনা ঘটে। আজ রোববার তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‍কিশোর হযরত আলীর মৃত্যু হয়। নিহত হযরত আলী ওই গ্রামের মৃত ইদ্রিস খলিফার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে হরিণখোলা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে একটি ফুটবল খেলা চলছিল। খেলা চলাকালে কবিরাজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিম ঘরামীর ছেলে মুছা ঘরামী গরু নিয়ে মাঠের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় ফুটবলটি গরুর সামনে গিয়ে পড়লে গরুটি ভয় পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মুছা ঘরামী ও তার কয়েকজন সহযোগী হযরত আলীকে মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকেই কিশোরটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নিহতের চাচা ইউনুস খলিফা হযরত আলীকে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের মা আছিয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘স্বামী মারা গেছে বহুবছর আগে, গতকাল আমার ছেলেটা মার খাওয়ার পর থেকেই কষ্ট পাচ্ছিল। টাকার অভাবে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিতে পারিনি। যদি আগে চিকিৎসা করাতে পারতাম, হয়তো আমার বুকের ধনটা আজ বেঁচে থাকত। যারা আমার ছেলেকে মারছে, আমি তাদের বিচার চাই।’

পরে খবর পেয়ে ঢাকায় থাকা চাচা ইউনুস খলিফা তালতলীতে এসে ভাতিজাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। রোববার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হযরত আলী মারা যায়।

নিহতের চাচা ইউনুস খলিফা বলেন, আমার ভাইয়ের ছেলেকে মারধর করা হয়েছে। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সব্যসাচী দাস সানি জানান, হাসপাতালে আনার পর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

তালতলী থানার ওসি (তদন্ত) বলেন, ‘নিহত কিশোরের উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

Link copied!