× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১০:৫৯ এএম

আইসিইউ না থাকায় বাড়ছে মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১০:৫৯ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এক শিশুকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মাইন উদ্দিন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩২ শিশু, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ শিশু এবং মৃত্যু হয়েছে তিন শিশুর। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৭৪ শিশু।

তিনি আরও জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ৯২৫ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৮৩১ শিশু এবং এ সময়ে মারা গেছে ২০ শিশু।

ডা. মো. মাইন উদ্দিন বলেন, মৃতদের মধ্যে ৭ মাস বয়সী এক শিশু রয়েছে। ওই শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে ২২ এপ্রিল সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং সোমবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। শিশুটির বাড়ি জেলার গৌরীপুর উপজেলায়।

একই সময়ে ৪ মাস বয়সী এক কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি ২৩ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয় এবং সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। শিশুটির বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলায়।

অপরদিকে, ৫ মাস বয়সী এক ছেলে শিশু ২০ এপ্রিল হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। শিশুটির বাড়ি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায়।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাঈনউদ্দিন খান বলেন, নানা সংকটের মধ্যেও আমরা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। তবে কয়েকটি আইসিইউ বেড থাকলে মৃত্যুর হার আরও কমানো সম্ভব হতো। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!