× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

বিদ্যুতের অভাবে অন্ধকার হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চলছে চিকিৎসা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ সংকট ও তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসকরা মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করে রোগীদের সেবা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির কারণে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরেই এলাকায় চলছিল তীব্র লোডশেডিং, যা হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এখানে কোনো জেনারেটর নেই। আইপিএস থাকলেও তা প্রায়ই বিকল থাকে এবং বর্তমানে সম্পূর্ণ অচল। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে যায়।

মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড অন্ধকারে ঢেকে যায়। এ সময় চিকিৎসকরা নিজেদের মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেন। ক্ষত পরীক্ষা, ড্রেসিংসহ প্রয়োজনীয় সেবাও সম্পন্ন করা হয় একইভাবে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র লেখার কাজেও মোবাইলের আলো ব্যবহার করতে হয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং তাদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগী জানান, হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সমস্যা রয়েছে। জেনারেটর না থাকা এবং আইপিএস অচল থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সামিয়া ইসলাম নিপুণ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে কাজ করতে হচ্ছে। মোবাইলের আলো ব্যবহার করে রাউন্ড দিতে হচ্ছে, তবুও রোগীদের সেবা অব্যাহত রাখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো চালু রাখা যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!