× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বাঁশখালী (চট্রগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০১:৪০ পিএম

থাকেন না চিকিৎসক, সই হয়ে যায় হাজিরা বইয়ে

হাসপাতাল আছে, নেই ওষুধ; ডাক্তার আছে নেই উপস্থিতি

বাঁশখালী (চট্রগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০১:৪০ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টা। তালাবদ্ধ বাঁশখালী উপজেলার পুইছুড়ি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। হাসপাতালে আছেন নিরাপত্তা প্রহরী মুহাম্মদ মুঈন উদ্দিন, ভেতরে শুয়ে আছেন কয়েকজন রোগী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোস্টার নিয়ম অনুযায়ী সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার পুইছুড়ি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে থাকার কথা মেডিকেল অফিসার ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস শশীর। হাজিরা খাতায় সই আছে, তবে তিনি নেই। অনেক সময় দেখা গেছে স্বাক্ষরের মিল নেই।

চিকিৎসক ও তার অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে নৈশপ্রহরী মুহাম্মদ মুঈন উদ্দিন বলেন, ম্যাডামের আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত আসেননি। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন মুহাম্মদ মুঈন।

সরেজমিনে ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনকালে দেখা যায়, ভেতরে কয়েকজন রোগী বসে আছেন। নৈশ প্রহরীর দায়িত্বে থাকা মুঈন সাধারণ রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। হাজিরা খাতায় প্রতি সপ্তাহে তার উপস্থিতির স্বাক্ষর থাকলেও অনেক স্বাক্ষরে গরমিল দেখা যায়। একেকটি স্বাক্ষরের সঙ্গে অন্যটির মিল নেই। রোগীরা এসে ডাক্তার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফিরে যাচ্ছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারি সময় অনুযায়ী নয়, চিকিৎসকদের ইচ্ছামতো খোলা হয় এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বন্ধও হয় তাদের ইচ্ছামতো। কপাল ভালো হলে তাদের পাওয়া যায়, না হলে নিজেদের ব্যবস্থায় চিকিৎসা নিতে হয়।

তারা আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক নিয়মিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে না এলেও উপজেলা সদরে প্রতিদিন প্রাইভেট চেম্বার করেন। তার বিরুদ্ধে পত্র-পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুবার লেখালেখি হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং তিনি যেন দায়মুক্তি পাচ্ছেন।

বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানান স্থানীয়রা। তারা এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ বাঁশখালীর সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমা আক্তার বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে ডিউটি ছাড়া সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের কথা দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস শশীর। তাকে পূর্বেও শোকজ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই চিকিৎসকের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে না যাওয়ার অভিযোগ অনেক পুরোনো। মৌখিকভাবে তাকে অনেকবার সতর্ক করা হয়েছে। এবার আমরা তার বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!