× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম

সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ, এমপির হুঁশিয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

নতুন দলিল করতে আসা গ্রাহকদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ, অতিরিক্ত টাকা আদায় ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগে আলোচিত চাঁদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি ওই সময় সরাসরি সাব-রেজিস্ট্রার মো. আব্দুর রাজ্জাক হাসানের বিরুদ্ধে উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন এবং ভবিষ্যতের জন্য হুঁশিয়ারি করে দেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে সংসদ সদস্য সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যান। তার এ হঠাৎ উপস্থিতিতে অফিসজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দেখা দেয় তৎপরতা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করে আসছিলেন সাধারণ মানুষ। সেবাগ্রহীতাদের দাবি, দলিল সম্পন্ন করতে বিভিন্ন অজুহাতে বাড়তি টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। কেউ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের কাজ বিলম্বিত করা কিংবা নানা ধরনের হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক হঠাৎ করে চাঁদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি অফিসের বিভিন্ন শাখা ঘুরে দেখেন এবং সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে সরাসরি অভিযোগ শুনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে এমপি মানিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, সরকারি নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত একটি টাকাও নেওয়া যাবে না। জনগণকে হয়রানি করে কেউ পার পাবে না। ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। সরকারি অফিস জনগণের সেবা দেওয়ার জন্য, হয়রানি করার জন্য নয়। মানুষ যেন সহজে ও স্বচ্ছভাবে সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় সেবাগ্রহীতারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নানা অনিয়ম, দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ তুলে ধরেন। অনেকেই জানান, নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

সংসদ সদস্য তাদের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে শুনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তিনি জেলা রেজিস্ট্রারকে সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং জোরদার করার নির্দেশ দেন।

Link copied!