× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লালমনিরহাট

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম

বাড়ছে নদীর পানি, তিস্তাপাড়ে বন্যা আতঙ্ক

লালমনিরহাট

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম

তিস্তা নদী। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

তিস্তা নদী। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

অনবরত বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে দ্রুত বাড়ছে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় অসময়ে বন্যার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও নদীপাড়ের মানুষজন। অসময়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে চরম দূর্ভোগে পড়তে হবে নদী তীরবর্তী ও চর এলাকার লোকজনকে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে শুক্রবার সকাল ৯টায় রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে ২৮ দশমিক ৩১ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ২৭ মিটার।

অন্যদিকে একই সময়ে ধরলা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার কমে কুড়িগ্রামের ব্রিজ পয়েন্টে শুক্রবার সকাল ৯টায় ২২ দশমিক ৭৫ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ২২ দশমিক ৮৫ মিটার। ব্রিজ পয়েন্টে ধরলা নদীর বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ দশমিক ০৫ মিটার। এছাড়া শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তিস্তাপাড় এলাকায় ৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

তিস্তা পাড়ের কৃষকরা জানায়, নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। ঈদের আগে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। চর এলাকা থেকে এখনো সবগুলো ফসল ঘরে তুলতে পারেননি তারা। যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে আর উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি আসছে তাতে ঈদের আগে বন্যা হতে পারে। অসময়ে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিলে চরের কৃষকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তাপাড়ের গড্ডিমারী এলাকার কৃষক সিরাজ উদ্দিন বলেন, তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। শুক্রবার সকালে নদীর পানিতে নদীপাড়ের অনেক আবাদি জমি ডুবে গেছে। এখানো ঘরের ভেতর পানি প্রবেশ করেনি। তবে ২-৩ দিনের মধ্যে তিস্তাপাড়ে বন্যা হওয়ার আশংকা রয়েংছে। ‘আমরা এখনো ধান, ভুট্টা রোদে শুকাতে পারিনি। খেত থেকে ফসল এনে পুঞ্জি করে রেখেছি। এখনই বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হবো।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানান, তিস্তা নদীর পানি দ্রুতই বাড়ছে। অনবরত বৃষ্টি আর উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি আসা অব্যাহত থাকলে আগামি ২-৩ দিনের মধ্যে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে আর এতে তিস্তাপাড়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!