× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম

উখিয়ায় এক মাসেও মিলেনি নিখোঁজ শিশু নুসাইবার সন্ধান, উৎকণ্ঠায় পরিবার

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া মাঝেরপাড়া এলাকার শিশু নুসাইবা নিখোঁজ হওয়ার এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও উৎকণ্ঠা, আর স্থানীয়দের মাঝেও বাড়ছে উদ্বেগ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন বিকেলে বাড়ির আশপাশে খেলাধুলা করার সময় হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় নুসাইবা। এরপর পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

নুসাইবার বাবা শাহজাহান সওদাগর জানান, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ পর একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে নুসাইবাকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে ওই নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, এক মাস পার হয়ে গেল, এখনো আমার মেয়ের কোনো খোঁজ নেই। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। শুধু চাই, আমার মেয়েটিকে জীবিত ফিরে পাই।

নুসাইবার সন্ধান না মেলায় তার মা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয়দের দাবি, মুক্তিপণের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করা হোক। তারা এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছেন।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, পরিবারের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে পুলিশ বিভিন্ন সূত্র ধরে তদন্ত ও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার গহীন পাহাড়ে র‌্যাব-১৫-এর বিশেষ অভিযানে অপহরণকারীদের কবল থেকে চারজন ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও চিরুনি অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত ১৮ জুলাই রাতে র‌্যাব-১৫ অভিযানে মামলার প্রধান আসামি মো. রাসেল (২৮) ও তার সহযোগী আরমান (২১)-কে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৫, কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

Link copied!