× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম

নদী পারাপারে ভোগান্তি

নিজ খরচে ভাসমান সেতু বানালেন বিএনপি নেতা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বর্ষা এলেই ফুলে-ফেঁপে ওঠে টাঙ্গন নদী। নদীর দুই পাড়ে বসবাসকারী কয়েকটি গ্রামের মানুষের জন্য তখন শুরু হয় দুর্ভোগের নতুন অধ্যায়। শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, নারী, শিশু, বৃদ্ধ সবাইকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁতরে কিংবা পানিতে নেমে নদী পার হতে হয়। অনেক সময় রোগীকে হাসপাতালে নিতে গিয়ে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। বিকল্প হিসেবে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হয়।

বছরের পর বছর এমন দুর্ভোগ চললেও স্থায়ী সেতু নির্মাণ হয়নি। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি মিললেও ভোট শেষে আর কেউ খোঁজ নেন না এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। শেষ পর্যন্ত সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে ব্যক্তিগত অর্থায়নে ড্রাম দিয়ে একটি ভাসমান সেতু নির্মাণ করেছেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ও বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী মীর জাহিদ হাসান।

তার এই উদ্যোগে স্বস্তি ফিরেছে আকচা ইউনিয়নের পালপাড়া এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া টাঙ্গন নদীর দুই পাড়ের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষের জীবনে। এখন সহজেই নদী পার হয়ে স্কুল-কলেজে যেতে পারছেন শিক্ষার্থীরা। কৃষকেরা নির্বিঘ্নে জমিতে যাতায়াত করছেন। সাধারণ মানুষও বাজার, হাসপাতালসহ বিভিন্ন গন্তব্যে নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টাঙ্গন নদীর ওপারে কয়েকশ একর কৃষিজমি রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বেড়ে গেলে ওই জমিতে যাতায়াত প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে অনেক কৃষক সময়মতো জমিতে যেতে না পারায় চাষাবাদ ব্যাহত হয়। আবার কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে কৃষিকাজ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, একটি স্থায়ী সেতু না থাকায় রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে অনেক সময় ১০ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। জরুরি মুহূর্তে এই অতিরিক্ত পথ অনেক সময় জীবন-মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শিক্ষার্থীরা বর্ষাকালে নিয়মিত স্কুল-কলেজে যেতে পারে না। কৃষকেরাও নদীর ওপারের জমিতে যেতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

তারা বলেন, আমরা যাতে নিরাপদে নদী পার হতে পারি, কৃষিজমিতে যেতে পারি এবং ছেলে-মেয়েরা নিয়মিত লেখাপড়া করতে পারে সেই চিন্তা থেকেই জাহিদ ভাই নিজের উদ্যোগে এই ড্রামের ভাসমান সেতু নির্মাণ করেছেন। এতে আমাদের দীর্ঘদিনের কষ্ট অনেকটাই কমেছে।

ভাসমান সেতুর উদ্যোক্তা মীর জাহিদ হাসান বলেন, নদী পারাপারে মানুষের দুর্ভোগের কথা জানতে পেরে আমি আর বসে থাকতে পারিনি। সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষা করলে হয়তো আরও সময় লাগত। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যক্তিগত অর্থায়নে ড্রাম, বাঁশ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে এই ভাসমান সেতু নির্মাণ করেছি। মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

তিনি আরও বলেন, এই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ জরুরি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!