এক ছেলে বিএডিসির উপপরিচালক এবং আরেক ছেলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা। অথচ এই দুই সরকারি কর্মকর্তা সন্তানের তথ্য গোপন করে মা মনোয়ারা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি যশোরের অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী গ্রামের।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেছেন, বিষয়টি তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী গ্রামের মনোয়ারা বেগমের নামে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে বয়স্ক ভাতার কার্ড চালু হয়। মনোয়ারা বেগমের বড় ছেলে আবু তাহের সরদার মেহেরপুরে কনট্রাক্ট গ্রোয়ার্সের কার্যালয়ে বিএডিসির উপপরিচালক এবং ছোট ছেলে এস এম মফিজ নড়াইল সদর উপজেলায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে কর্মরত রয়েছেন।
উপকারভোগী মনোয়ারা বেগমের ছেলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম মফিজ সাংবাদিকদের জানান, বাবার মৃত্যুর পর মায়ের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ডের আবেদন করা হয়। ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে সেই কার্ড চালু হয়।
অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, বিধবা ও বয়স্ক ভাতা সাধারণত সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, হতদরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের প্রাপ্য। সেখানে দুইজন সরকারি কর্মকর্তা প্রকৃত তথ্য গোপন করে তাদের মায়ের নামে বয়স্ক ভাতার জন্য তালিকাভুক্ত করেছেন, যা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন