পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জেলা বাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল রেললাইন। লক্ষ্মীপুরে রেল লাইন বাস্তবায়ন অসম্ভব ছিল। সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছি। আশাকরি অচিরেই এ স্বপ্নপূরণ হতে যাচ্ছে। এছাড়া লক্ষ্মীপুরে নার্সিং ইনস্টিটিউট ও মেডিকেল কলেজ অনুমোদন হয়েছে ও একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে এ জেলাবাসী।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার লামচরি জামে মসজিদ কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ৫ মাস হয়েছে আমরা (বিএনপি) এসেছি। যখন এক-দেড় বছর যাবে, মানুষ আমাদের কাছে জবাবদিহিতা আশা করবে। এখন কিন্তু সাধারণ মানুষ আমাদেরকে প্রশ্ন করে না। এখন উনারা আমাদেরকে সহযোগীতা করছেন, কাজটা শুরু করার জন্য। কিন্তু সময় যেতে বেশিক্ষণ লাগে না।
তিনি বলেন, আমরা সবাই আশা করেছিলাম যে সরকারই থাকুক আমাদের দাবির প্রতি সবাই সম্মান দিবে। নির্বাচনের এক মাসের মাথায় আমরা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে কাজ শুরু করেছি। অনেকেই বলতে পারেন এটি দীর্ঘদিনের প্ল্যান ছিল। প্ল্যানতো অনেক কিছুই থাকে, স্বপ্ন অনেক কিছুই থাকে। কিন্তু বাস্তবায়নটা কোথায় আটকে আছে, সেটাকে ঠিক করে সেই কাজটাকে দৃশ্যমান করে নিয়ে আসা সেটাই আসল ব্যাপার। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরবাসীর প্রতি খুবই আন্তরিকতা দেখিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকতারা উদাসিনতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সুযোগ থাকা স্বত্বেও উন্নয়নমূলক কাজ, জলাশয়, পানি নিষ্কাশনের ড্রেন, রাস্তা সংস্কারমূলক কাজ করে না। এসবের কোনো দৃশ্য আমার চোখে পড়েনি।
এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর জেড এম ফারুকী, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ইউছুফ, কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ সামছুল আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, টুমচর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ হারুন আল মাদানি ও রামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন