× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৫, ০৭:৩৫ এএম

টেকনাফে ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ১

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৫, ০৭:৩৫ এএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকবিরোধী  অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

রোববার (২৭ জুলাই) দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার খানকারপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)। 

অভিযানে সৈয়দ নূর (৫০) নামের একজনকে আটক করা হয়। তিনি খানকারপাড়া এলাকার মৃত নুর ইসলামের ছেলে।

বিজিবি জানায়, মিয়ানমার থেকে সাগরপথে ইয়াবার একটি চালান টেকনাফে এনে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির গোয়েন্দা ইউনিট এবং একাধিক আভিযানিক দল অভিযানে নামে।

বিজিবি টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে খানকারপাড়া এলাকায় সৈয়দ নূরের বাড়ি ঘিরে ফেলে বিজিবি। স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুপুর ১টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সৈয়দ নূর জানায়, মাদক কারবারি মো. হারুন অর রশিদ বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে একটি প্যাকেট তার কাছে হস্তান্তর করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তার বাড়ির পিছনের ঘরের ছাদে বাঁশের চাটাইয়ের নিচে লুকানো অবস্থায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি ওয়ান শুটার গান, একটি এলজি, এক রাউন্ড তাজা গুলি ও একটি গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।

আটক সৈয়দ নূরের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধারকৃত মাদক ও অস্ত্র টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, পলাতক হারুন অর রশিদসহ এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। জাতীয় স্বার্থে আমাদের এই অভিযান চলমান থাকবে।’

Link copied!