চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ‘গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ’ উপজেলা শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-কে স্বাগত জানিয়ে জুলুস ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৩টায় সীতাকুণ্ড উত্তর বাইপাস থেকে শুরু হওয়া জুলুসটি মোটরসাইকেল র্যালি এবং পায়ে হেঁটে দক্ষিণ বাইপাস পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অগ্রসর হয়। দেশ, জাতি ও বিশ্বের নির্যাতিত মুসলমানদের শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে জুলুস শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশগ্রহণ করেন।
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সীতাকুণ্ড উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আউয়াল-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হজরতুলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফকিহ মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মদ ওমাইর রজভী, আলহাজ্ব মোবারক হোসেন সওদাগর, পৌরসভা বিএনপি আহ্বায়ক ইউসুফ নিজামি, মওলানা ফখরুদ্দিন আলকাদেরী, মওলানা আব্দুল আজিজ রজবী, মওলানা বাহাউদ্দীন, মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন চৌধুরী ও আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন প্রমুখ।
গাউসিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর পবিত্রতা ও শিক্ষার প্রচারেই প্রতি বছর এ ধরনের শান্তিপূর্ণ আয়োজন করা হয়। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন মানবজাতির জন্য রহমত ও হেদায়েতের আলোকময় দৃষ্টান্ত। তার আদর্শ, আখলাক ও শিক্ষাকে অনুসরণ করলেই সমাজে শান্তি, ন্যায় ও মানবতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
তাদের মতে, গাউসুল আজম (রহ.)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ দেশব্যাপী মিলাদ, জুলুস ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তরুণ সমাজকে ধর্মীয় নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। পরিশেষে ড. আল্লামা কামালউদ্দিন আজহারীর পরিচালনায় দেশ ও জাতি এবং সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মতামত লিখুন