রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৮:০০ পিএম

ডিএনএ পরীক্ষায় ধরা ধর্ষণকারী

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৮:০০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

নওগাঁর মান্দায় ডিএনএ পরীক্ষায় সন্তানের পিতৃত্বের প্রমাণ মেলায় ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম ওরফে মোকছেদ (৩০)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে নওগাঁ আদালত চত্বর থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত কামরুল মান্দা উপজেলার শোভাপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তোজাম্মেল হক।

সিআইডি সূত্র জানায়, একটি মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন কামরুল। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় তিনি ওই কিশোরীকে হুমকি দিতেন। একপর্যায়ে কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই কামরুলের বাড়িতে সুযোগ পেয়ে আবারও তাকে ধর্ষণ করা হয়।

পরবর্তীতে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ করে পরিবার স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করালে ২৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে রিপোর্ট আসে।

বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে কামরুলকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন।

এরপর কিশোরীর বাবা ২০২৪ সালের ২ জানুয়ারি মান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানার তদন্ত কর্মকর্তা কামরুলের সম্পৃক্ততা না পেয়ে তাকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। বাদী এ রিপোর্টে নারাজি জানালে আদালত সিআইডিকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তোজাম্মেল হক জানান, ভুক্তভোগীর বর্ণনার ভিত্তিতে ছয় মাস আগে কামরুলসহ তিন জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। গত ২৬ নভেম্বর প্রাপ্ত ডিএনএ রিপোর্টে দেখা যায়, কিশোরীর নবজাতকের সঙ্গে কামরুলের ডিএনএ মিল রয়েছে।

রোববার সকালে বিষয়টি জানাতে কামরুলকে সিআইডি অফিসে ডাকা হয়। রিপোর্টের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তিনি কৌশলে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে আদালত চত্বর থেকে তাকে আটক করা হয়।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!