× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:৩৪ পিএম

রোগী দেখার সময় চি‌কিৎস‌কের গেম খেলা, দুদকের অভিযান

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:৩৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

কুষ্টিয়ায় রোগী দেখার সময় এক চিকিৎসকের মোবাইলে দাবা গেম খেলার ঘটনায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে দুদক কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায়-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম এই অভিযান চালায়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে নথিপত্র পর্যালোচনা করে সামরিন সুলতানা নামে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সহকারী পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ছুটি নিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার, যোগদানের পর থেকে ছুটি ছাড়াই ১৭ দিন অনুপস্থিত থাকা এবং বিলম্বিত সময়ে উপস্থিত থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

এ ছাড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ও সে‌বিকাদের নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি নজরে এসেছে। এর আগে গত মঙ্গলবার কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের ১১৯নং কক্ষে মেডিকেল অফিসার শামরিন সুলতানা রোগী দেখার সময় প্রেসক্রিপশন ও একই সাথে মোবাইলে গেম খেলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ১ মিনিট ৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, চিকিৎসা নিতে আসা একজন জিজ্ঞেস করছেন, ‘আপনি গেম খেলছেন?’ উত্তরে এই চিকিৎসক বলছেন, ‘সমস্যা কী, আমি গেমও খেলছি, আপনার রোগীও দেখছি।’ এ ঘটনায় জেলাজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। তবে ওই দিন চিকিৎসক দাবি করেন, কোনো রোগী না থাকায় মোবাইল ফোন হাতে নিয়েছিলেন তিনি।

দুদক কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় বলেন, ‘সম্প্রতি সামরিন সুলতানা নামে এক চিকিৎসকের রোগী দেখার সময় গেম খেলার সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হয়। এর ভিত্তিতে দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় আজ এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।’

বিজন কুমার বলেন, ‘সব বিষয় খতিয়ে দেখে সামরিন সুলতানার বিরুদ্ধে সহকারী পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ছুটি নিয়ে অনুপস্থিত থাকা, যোগদানের পর থেকে ছুটি ব্যতীত ১৭ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কর্মস্থলে আসার নির্ধারিত সময় থাকলেও এভারেজে পৌনে ১০টায় কর্মস্থলে আসার প্রমাণ মিলেছে। এ ছাড়া ভাইরাল ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া দুই কার্যদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হলেও তিনি জবাব দেননি। বিষয়গুলো পরিচালকের কাছে জানানো হয়েছে। আজকের রিপোর্ট চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হবে।’

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সোনিয়া কাউকাবি বলেন, ‘আমি আজকে বিষয়টি অবগত হয়েছি যে শামরিন সুলতানার ছুটির আবেদনপত্রে আমার স্বাক্ষর রয়েছে। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আনোয়ারুল কবির বলেন, ‘ওই চিকিৎসককে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। দুই কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হলেও দেননি। এ ছাড়া প্রত্যেককে সতর্ক করা হয়েছে, সঠিক সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য।’

Link copied!