× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম

মুক্তিপণ দিয়ে ১৪ দিন পর ফিরলেন ৩ জেলে

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম

১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে আসেন ৩ জেলে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে আসেন ৩ জেলে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে দীর্ঘ ১৪ দিন পর জলদস্যুদের জিম্মিদশা থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিন জেলে। শুক্রবার রাত ১০ টায় ছাড়া পেয়ে তারা পাথরঘাটায় আসেন। ফিরে আসা জেলেরা হলেন, পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে রাজু মিয়া (২৬), আব্দুল মন্নানের ছেলে মো. মাহবুব (৩০) ও ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে মো. রাজু মোল্লা (২৭)। 

শনিবার দুপুরে ফিরে আসা জেলেরা প্রতিবেদককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, ১৫ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনের কটকা এলাকার হৌলি খালের মধ্য থেকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের রুহিতা গ্রামের মাসুম মাঝির ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ করে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। একদিন পর আল আমিন (৩১) ও আবদুর রহিমকে (৩২) ১০ লাখ টাকা দিয়ে বাকি তিন জেলেকে মুক্ত করে নিয়ে যাওয়ার শর্তে ছেড়ে দেয় জলদস্যু বাহিনী। 

পরে জলদস্যুদের দেওয়া শর্ত অনুযায়ী পাথরঘাটায় এসে ট্রলার মালিকের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে জলদস্যুদের কাছে পাঠালেও অপহৃত ওই তিন জেলেকে ছেড়ে দেয়নি। পরে জলদস্যুদের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হলে জিম্মিদশায় থাকা জেলেরা দিকবিদিক হয়ে দৌড়ে চলে যান। এ সময় রাজু মিয়া, মাহবুব ও রাজু মোল্লা পালিয়ে আসেন।

ফিরে আসা জেলেরা বলেন, অপহরণের সময় ৫ জনকে সুন্দরবনে নিয়ে গেলেও শর্ত দিয়ে দুইজনকে একদিন পর ছেড়ে দেয়। আমাদের তিনজনকে ট্রলারের ব্রিজের মধ্যে শিকল দিয়ে বেধে রাখত। মাঝে মাঝে মুক্তিপণ না পাওয়ায় শারীরিকভাবেও নির্যাতন করত জলদস্যুরা।

তারা আরও বলেন, জলদস্যুদের মধ্যে দুই গ্রুপের যখন গোলাগুলি শুরু হয় তখন আমরা কৌশলে ছুটে যাই। পরে সুন্দরবনের খালে সাঁতরিয়ে কিছু দুর যাওয়ার পরে তেলবাহী একটি জাহাজের নাবিক আমাদের উদ্ধার করে মংলা বন্দর ঘাটে এনে ছেড়ে দেয়। সেখান থেকে আমরা পাথরঘাটায় চলে আসি।

অপহৃত ট্রলারের মালিক মো. মাসুম মিয়া বলেন, আমার ট্রলারে থাকা ৫ জেলেসহ ট্রলারটি নিয়ে যায় দস্যুরা। দুইজনকে একদিন পর মুক্তিপণের টাকা পাঠানোর শর্তে ছেড়ে দেয়। পরে টাকা পাঠালেও তিন জেলেকে ছেড়ে দেয়নি দস্যুরা। ফিরে আসা জেলেদের মারধর করায় শারীরিক অসুস্থতা থাকায় তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, গত কয়েকদিন ধরে জলদস্যুদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এভাবে চলতে থাকলে জেলেরা সাগরে যাওয়া বন্ধ করে দিবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!