আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দ্বীপজেলা ভোলার চারটি সংসদীয় আসনের ৫২৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩১টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এসব কেন্দ্রে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোলা-১ (সদর) আসনে ১১৪টি, ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে ১৩৮টি, ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে ১১৯টি এবং ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে ১৫৪টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ৬২২টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে।
প্রশাসনের তথ্যমতে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ভোলা-৩ আসনে। এ আসনের ৫০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলায় ৩৬টি এবং লালমোহনে ১৪টি কেন্দ্র রয়েছে।
ভোলা-২ আসনে ৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে দৌলতখানে ২৫টি। এ ছাড়া ভোলা-৪ আসনে চরফ্যাশনে ১৬টি ও মনপুরায় ১১টি এবং ভোলা-১ সদর আসনে ২২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায় রয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে চারটি আসনে মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ মাত্র ১২ জন প্রার্থী নিয়মিত প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। বাকি ১৬ জন প্রার্থীকে প্রচারণার মাঠে তেমন দেখা যাচ্ছে না। অনেক প্রার্থীকে ভোটাররা চিনতেই পারছেন না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।


