ভোলার লালমোহনে বিচ্ছিন্ন দুর্গম চরকচুয়ালিতে সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত ১২ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন। ঘটনাটি উপজেলার মোতাহার নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিচ্ছিন্ন চরকচুয়ালির চৌধুরী আবাসন এলাকায় ঘটেছে।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আহত নুরনবী, রিয়াজ ও জেসমিন জানান, চরকচুয়ালিতে লালমোহন ও পটুয়াখালীর দশমিনা থানার লোকজন বসবাস করে। তারা চৌধুরী আবাসনের বাসিন্দা। দশমিনা থানার চরহাদির গণঅধিকার পরিষদের নেতা ইলিয়াস মোল্লার নেতৃত্বে হারুন গাজী, রহিম, জসিম সর্দার, জুয়েল গাজী, সোহাগ, আলামিন, লিটন বয়াতি, আলামিন বয়াতি, কবির বয়াতি, মুন্না, চান মিয়াসহ ৩০-৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে তাদের আবাসনের পাশে থাকা সরকারি কেওড়া গাছ কাটতে শুরু করে।
কয়েকটি গাছ কাটার পর চৌধুরী আবাসনের বাসিন্দারা গাছ কাটার কারণ জানতে চাইলে তারা হঠাৎ হামলা চালায়। হামলায় চৌধুরী আবাসনের ১৫ জন আহত হন। তারা সুস্থ হয়ে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করবেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন।
অভিযুক্ত ইলিয়াস মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও তার ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম জানান, ‘অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন