ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নবীনগরে সানশাইন জাতের আলুতে বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
জমি থেকে আলু উত্তোলন করছেন কৃষকরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় আলুর প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়েছে।

এসব প্লটে বিএডিসি উদ্ভাবিত আলু-১ (সানশাইন) জাতের আলু দেখা যাচ্ছে, যা আকর্ষণীয় রঙ, সমান আকার এবং বাজার উপযোগী গুণাবলীর কারণে কৃষকদের মধ্যে ইতোমধ্যেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নবীনগরে প্রায় ২৮৫ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। প্রদর্শনী প্লটে মাঠপর্যায়ের ট্রায়ালে শতকরা ভিত্তিতে গড়ে প্রায় তিন মণ ফলন পাওয়া গেছে। 

কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় আবহাওয়া ও মাটির সঙ্গে এই জাতটির সামঞ্জস্য ভালো দেখা গেছে।

কৃষকরা বলছেন, সমান আকৃতির আলু বাছাই ও বাজারজাতকরণে সুবিধা দেবে। উজ্জ্বল রঙের কারণে পাইকারি বাজারেও চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নত জাত, সুষম সার ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত বালাই দমন পদ্ধতি সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

কৃষকরা আগামী মৌসুমে ফলন সন্তোষজনক হলে আরও বেশি জমিতে সানশাইন জাতের আলুর আবাদ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছেন। কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন, বাজারসংযোগ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে এই জাত স্থানীয় আলু উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নবীনগরে প্রদর্শনী প্লট ঘিরে কৃষকদের আগ্রহ এই মৌসুমে আবাদ বৃদ্ধির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।