× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৬:৪০ পিএম

ইয়াবাসহ বিচারকের গানম্যানকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৬:৪০ পিএম

চট্টগ্রাম আদালত ভবন। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম আদালত ভবন। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম নগরের প্রবেশমুখ বাকলিয়া থানার নতুন ব্রিজ এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশির সময় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক এক পুলিশ সদস্যকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

অভিযোগ অনুযায়ী, ইয়াবাসহ আটক হওয়া পুলিশ সদস্যের নাম ইমতিয়াজ হোসেন। তিনি কক্সবাজার জেলা আদালতের এক বিচারকের গানম্যান হিসেবে কর্মরত। এ ঘটনায় জব্দ হওয়া প্রায় এক লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা পরবর্তীতে গায়েব করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে বাকলিয়া থানার সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. আলাউদ্দিন মাহমুদের নজরে আসে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রতিবেদন। পরে সংবাদটি স্বপ্রণোদিতভাবে আমলে নিয়ে তিনি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন।

আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দক্ষিণ জোনের উপ-কমিশনারকে (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলাটি রেকর্ডভুক্ত হয়েছে এবং বিচারকের স্বপ্রণোদিত আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম আদালতের নাজির আবুল কালাম আজাদ।

আদালতের আদেশে বলা হয়, নতুন ব্রিজ এলাকায় বাকলিয়া থানার চেকপোস্টে তল্লাশির সময় ইমতিয়াজ হোসেনকে এক লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করা হলেও পুলিশ পরিচয় দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উদ্ধারকৃত ইয়াবা জব্দ না করে তা গায়েব করে ফেলার অভিযোগ ওঠে।

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদক সংক্রান্ত অপরাধ আমলযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা না করায় সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পিআরবি’র ২৪৪ ধারা লঙ্ঘন করেছেন এবং পুলিশ আইনের ২৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে এমন সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিবেদনে বর্ণিত ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২০১, ২১২, ২১৭ ও ২১৮ ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলেও আদালত মত দিয়েছেন।

আদেশের অনুলিপি মহানগর দায়রা জজ, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং সিএমপি পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

Link copied!