× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম

বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ‘গ্যাস হারমোনি’

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ক্যাপ্টেনের উপস্থিত বুদ্ধি ও দ্রুত সিদ্ধান্তের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে এলপিজি গ্যাসবাহী জাহাজ ‘গ্যাস হারমোনি’।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে কর্ণফুলী চ্যানেলের ইউনাইটেড ট্যাংক টার্মিনাল জেটিতে বার্থিংয়ের সময় জাহাজটিতে হঠাৎ মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ১৫৯.৯ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজটিতে ওই সময় ৫১৫ মেট্রিক টন প্রোপেন এবং ৪ হাজার ৫৭০ ম্যাট্রিক টন বিউটেনসহ বিপুল পরিমাণ দাহ্য গ্যাস বহন করা হচ্ছিল।

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাছাকাছি কাফকো অ্যামোনিয়া জেটিতে আঘাত হানার আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমন সংকটময় মুহূর্তে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নৌ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদ তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে তিনি দ্রুত জাহাজের নোঙর ও টাগবোট ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তার দক্ষ ও সময়োপযোগী পদক্ষেপে জাহাজটির গতি কমে আসে এবং দিক পরিবর্তন হয়ে জেটি কাঠামো থেকে আনুমানিক ১.২ মিটার দূরত্বে নিরাপদে থামানো সম্ভব হয়। অন্যথায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা থাকত, পাশাপাশি মানুষের জীবন ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকত। একই সঙ্গে জেটি ও কর্ণফুলী চ্যানেলের বড় ক্ষতিরও সম্ভাবনা ছিল।

ঘটনার পর চট্টগ্রাম বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভিটিএমএস (VTMS)-এর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। দ্রুত প্রাথমিক পদক্ষেপ ও সমন্বিত দলগত প্রচেষ্টার ফলে শেষ পর্যন্ত কোনো বড় দুর্ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

এই সাহসী ও প্রশংসনীয় ভূমিকার জন্য সংশ্লিষ্ট জাহাজ কর্তৃপক্ষ ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদকে আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র প্রদান করেছে। তার এই দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছে বলে মনে করা হয়।

Link copied!