বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার আংশিক) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে পেয়ে রাঙ্গুনিয়াবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) উপজেলার রোয়াজারহাট বাজারের রাঙ্গুনিয়া ক্লাব মাঠে ‘পরিচ্ছন্ন রাঙ্গুনিয়া, গড়ব এবার আমরা’ প্রতিপাদ্যে রাঙ্গুনিয়াজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ সমর্থনের কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচ্ছন্নতা প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক সাংবাদিক এম. মতিন। রোয়াজারহাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি গাজী জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামানজার খান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন একেএস খান হেলথকেয়ার লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক নোমানুর রশিদ।
হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘আমার স্ত্রী সামানজার খান এই প্রকল্পটি গ্রহণ করেছেন। আশা করি, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া পরিচ্ছন্ন হবে। ঠিক একইভাবে নির্বাচনের পর এই সমাজটাকেও সাফ করার দায়িত্ব আমরা পাব। রাঙ্গুনিয়াজুড়ে বর্তমানে মাদকের সমস্যা রয়েছে, যা এখন ঘরে ঘরে শোনা যাচ্ছে। আশা করি, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এ ধরনের সব সমস্যার সমাধান করতে পারব। চৌধুরী পরিবারের সঙ্গে রাঙ্গুনিয়ার আত্মার সম্পর্ক, রক্তের সম্পর্ক। প্রায় ষাট বছর ধরে আপনারা আমার দাদা ও আমার বাবার পাশে ছিলেন। এই সম্পর্ক ধরে রাখতে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন জনসংখ্যা বেড়েছে, বড় বড় ভবন হচ্ছে, আর এর সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশও ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমরা যখন বিদেশে যাই, দেখি চারদিকে কত পরিচ্ছন্ন। বিদেশ যদি পরিচ্ছন্ন হতে পারে, বাংলাদেশ কেন পারবে না! তাই নিজের ঘর থেকে শুরু করে পরিচ্ছন্ন রাঙ্গুনিয়া গড়ার লক্ষ্যে এই ছোট উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে রাঙ্গুনিয়াবাসী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, এই উদ্যোগ আরও আগে নেওয়া উচিত ছিল।’
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের আওতায় পুরো রাঙ্গুনিয়াজুড়ে ২০০টি ময়লার বিন স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও দেড়শটি বিন বিভিন্ন স্থানে বসানো হবে। ছোট বিন থেকে বড় বিনে ময়লা স্থানান্তরের জন্য ২০টি বড় ডাস্টবিন বসানো হচ্ছে। ময়লা সংগ্রহের জন্য ১০টি নিজস্ব ভ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে। এ কার্যক্রমে ৭০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ১৬ জন ভ্যানচালক, ১০ জন সুপারভাইজর এবং সার্বিক পরিচালনার জন্য ২ জন প্রকল্প প্রধান নিয়োজিত রয়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।



