× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে জামানত হারালেন ৭৮ প্রার্থী

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে প্রার্থী হয়েছেন ১১০ জন। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী প্রার্থীতা চূড়ান্ত হলে প্রতিজন প্রার্থীকে জামানত দিতে হয় ৫০ হাজার টাকা। নির্বাচনের পর এ জামানত ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু যেসব প্রার্থী তার আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ভাগ না পায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করে তার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। সে হিসেবে এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে জামানত হারিয়েছেন ৭৮ প্রার্থী। যা মোট প্রার্থীর শতকরা ৭০.৯০ ভাগ।

চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহম্মদ বশির আহমেদ জানান, ‘সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রত্যেক প্রার্থীকে ট্রেজারি চালান বা পেঅর্ডারের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হয়। যদি কোনো প্রার্থী তার নির্বাচনি এলাকার প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১২.৫ শতাংশ ভোট না পান তাহলে ওই প্রার্থীর জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়।’

চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপি কোনো আসনে জামানত হারায়নি। তবে একটি আসনে জামায়াত প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এছাড়া গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি, বিএসপি, লেবার পার্টি, জাতীয় পার্টি, গণফোরাম, জাসদ, বাসদ (মার্কসবাদী), ইনসানিয়াত বিপ্লব, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাসদ, এনডিএম, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশর সব প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-১ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৮ হাজার ৪১১টি এবং জামানত বাজেয়াপ্ত ঠেকাতে প্রতি প্রার্থীর ২৭ হাজার ৩০১ ভোট পাওয়ার কথা থাকলেও ৫ জন প্রার্থী তা পাননি। ফলে জামানত হারিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির  এ, কে, এম, আবু ইউছুপ (২৫৮), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী (২১০৮),ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রেজাউল করিম (৭৮৩) বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (পাঞ্জা) (২৬৯), জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন (১৬৫৯) ভোটে।

চট্টগ্রাম-২ আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৫২টি। শতকরা ১২.৫ ভাগ ২৭০৫৭ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৬ জন প্রার্থী। তারা হলেন,  বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ (১২৪১৫), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান ( ২১৬৯), জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী (৩৮০), স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার (২৭০), আহমদ কবির (২৬২), গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান (২৫১) ভোটে।

চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ১৮হাজার ১৫২টি। সেখানে শতকরা ১২.৫ ভাগ হিসেবে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬৯ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ২ প্রার্থী । তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা (৩০৮) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (৫,১৪৫) ভোটে।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৮১ টি। শতকরা ১২.৫ ভাগ হিসেবে ৩০ হাজার ৭৩৫ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৭ জন প্রার্থী। তারা হলেন, কমিউনিস্ট পার্টির মো. মছিউদদৌলা (৭৩৮), নেজামে ইসলাম পার্টির জাকারিয়া খালেদ (১৯৩), গণসংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম (৩০১), বিএসপির শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (৯২৩), ইসলামী আন্দোলনের দিদারুল মাওলা (১৩৩৭), গণঅধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ (১৬৬) ও ইসলামী ফ্রন্টের সিরাজুদ্দৌলা (৭২৬৭) ভোটে।

চট্টগ্রাম-৫ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৩ হাজার ১০টি। তার মধ্যে ১২.৫ ভাগ হিসেবে ২৬ হাজার ২২৬ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছে ৪ জন প্রার্থী। তারা হলেন,  ইসলামিক ফ্রন্টের রফিকুল ইসলাম (১৫৪২০), ইসলামী আন্দোলনের মতি উল্লাহ নূরী (২৪২২), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমাম উদ্দিন রিয়াদ (১১২৯) ও লেবার পার্টির আলা উদ্দিন (৩৯৬)।

চট্টগ্রাম-৬ আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৩০ টি। সেখানে ১২.৫ ভাগ হিসেবে ২০ হাজার ২৯১ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার (৮২৯)।

চট্টগ্রাম-৭ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৪৯ টি। ১২.৫ ভাগ হিসেবে ২১ হাজার ৯৮১ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ আল হারুন (১৩০৭), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরন বড়ুয়া (৪৪১),আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. আবদুর রহমান (১৫৮),গণঅধিকার পরিষদের মো.বেলাল উদ্দীন (১২৯), জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ (৪১১) ভোটে।

চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৫৯ টি। সেখানে ১২.৫ ভাগ  হিসেবে ৩১ হাজার ৮২০টি ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছে ৪ জন প্রার্থী। তারা হলেন, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক (৮৮৪), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম (১,২০৮), এনসিপির জোবায়ারুল হাসান আরিফ (৩,৩৪৯)।

চট্টগ্রাম-৯ মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ৭৮২টি। সেখানে ১২.৫ ভাগ হিসেবে ২১ হাজার ৩৪৮ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৮ জন প্রার্থী । তারা হলেন,জেএসডির’র আবদুল মোমেন চৌধুরী (১২৮) , ইসলামী আন্দোলনের আব্দুস শুক্কুর (৯৪১), ইসলামি ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (৪২০৪),ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন (১১২),নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার (১০৭), বাসদ (মার্কসবাদী) শফি উদ্দিন কবির (৪৯৪), জনতার দলের হায়দার আলী চৌধুরী (৫৬১), গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ (১,০৪০)।

চট্টগ্রাম-১০ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৯হাজার ৩৮০ টি। সেখানে ১২.৫ বাগ হারে ২৬ হাজার ১৭২টি ভোট না পাওয়ায় ৭ জন প্রার্থী  জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন ,বাসদ (মার্কসবাদী) আসমা আক্তার (৩০৫),জাতীয় পার্টির এমদাদ হোসানই চৌধুরী (১০৭৯) ,ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম (৩৮৮০), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী (৩৫৭), লেবার পার্টির ওসমান গনি (১৬১), ইসলামিক ফ্রন্টের লিয়াকত আলী (২৪৪১), ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন (৯৬০) ভোটে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ২ হাজার ৫১৮টি। সেখানে ১২.৫ ভাগ হারে ২৫ হাজার ৩১৫ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছে ৯ জন প্রার্থী।তারা হলেন, জাতীয় পার্টির আবু তাহের (১,০০৪), গণফোরামের উজ্জল ভৌমিক (৩০৭),বাসদ (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার, (২৩১), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ আবু তাহের (৫,১২৭), গণঅধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন (১০৪), স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া (১৭৮), ইনসানিয়াত বিপ্লবের আজিজ মিয়া (২১০), বাসদের নিজামুল হক আল কাদেরী (১২০) ও ইসলামী আন্দোলনের মো. নুর উদ্দিন (২,৫৫৭)।

চট্টগ্রাম-১২ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টি। ১২.৫ ভাগ হারে  ২৩ হাজার ৫৮৪টি ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৬ জন প্রার্থী। তারা হলেন,  লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির এম. এয়াকুব আলী (১১৮),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এস,এম, বেলাল নুর  (৯০১), জাতীয় পার্টির ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী (৭৩২), স্বতন্ত্র মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন (২৪৩), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের (৯২৯), জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা মোহাম্মদ ফরিদুল আলম (২১৭০৬) ভোটে।

চট্টগ্রাম-১৩ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১০ হাজার ৬৭৫ টি। সেখানে ১২.৫ ভাগ হারে  ২৬ হাজার ৩৩৪টি ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন,পার্টি লাঙ্গলর আবদুর রব চৌধুরী জাতীয় (৪৪০),ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মু. রেজাউল মোস্তফা(১৯১), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মোহাম্মদ এমরান (২০৪),গণঅধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমান ১৬৮ ভোটে।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে মোট পদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৮ টি। শতকরা ১২.৫ ভাগ হারে ২২ হাজার ৭১৬টি ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৫ জন প্রার্থী। তারা হলেন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচ. এম. ইলিয়াছ (১৪৯), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (১৫৩৯),জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (২৯৩),স্বতন্ত্র মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী (৩৬৩০), স্বতন্ত্র শফিকুল ইসলাম রাহী (১১৬)ভোটে।

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ১৪ হাজার ৮৩৮টি। সেখানেও ১২.৫ ভাগ হারে ৩৯ হাজার ৩৫৪ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী (২৯০৯) ভোটে।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালীর) আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৩৭ হাজার ১০টি। ১২.৫ ভাগ হারে ২৯ হাজার ৬২৬ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের আব্দুল মালেক (৮৪৪),বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক (১০৫),গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুল হক (২৪৩),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ রুহুল্লাহ (৪০৫৪)।

Link copied!