× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ০৪:৪৯ এএম

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে বিপর্যস্ত কর্ণফুলী নদীর সাম্পান শ্রমিকরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ০৪:৪৯ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে তেলবাহী লাইটার জাহাজে কর্মরত শ্রমিকদের পারাপার সেবায় নিয়োজিত সাম্পান শ্রমিকরা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে জীবিকা ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এ অবস্থায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

শনিবার (১১ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডাঙ্গারচর ও পতেঙ্গা ওয়েল ট্যাংকার কর্মচারী পারাপার সাম্পান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। সংগঠনটি সরকার স্বীকৃত একটি শ্রমিক সংগঠন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কর্ণফুলী নদীর ৭ নম্বর ঘাট থেকে ১১ নম্বর ঘাট পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে সাম্পান শ্রমিকরা তেলবাহী লাইটার জাহাজে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পারাপার ও জাহাজে রশি বাঁধার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে আসছেন। প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে তাদের পূর্বপুরুষেরা এই পেশায় যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে তারাই সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।

শ্রমিকদের দাবি, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, আরএম-৩ ও আরএম-৪সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাইটার জাহাজে তারা নিয়মিত সেবা দিয়ে থাকেন। ঝুঁকিপূর্ণ এই পেশায় প্রতিদিন উত্তাল নদী ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে কাজ করতে হয়। এই পেশার ওপর নির্ভরশীল প্রায় ৩০০টি পরিবার; সংশ্লিষ্ট প্রায় এক হাজার শ্রমিক ও তাদের স্বজনদের জীবিকা এতে জড়িত।

তবে সম্প্রতি ‘খাজা শিপিং লাইন (রায়হান এন্টারপ্রাইজ) সি লিঃ’ নামের একটি সিন্ডিকেট তাদের এই পেশায় অবৈধ হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ করেন শ্রমিক নেতারা। তাদের ভাষ্য, ওই সিন্ডিকেট শ্রমিকদের কাজে বাধা দেওয়া, জোরপূর্বক চাঁদা দাবি, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি শ্রমিকদের ‘তেল চোর’ বলে অপমান করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে রায়হান, মো. শাহানুর ও সাজ্জদসহ ১০ থেকে ১২ জনকে এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কাজ বন্ধে বাধ্য করা, নিয়মিত চাঁদা আদায়, শারীরিক হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

শ্রমিকরা জানান, এর আগে একাধিকবার মানববন্ধন এবং বাংলাদেশ পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানা, নৌ-পুলিশ ও অন্যান্য দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং তাদের ওপর চাপ ও হুমকি বেড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নের সভাপতি মো. রফিক ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ওসমানসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!