চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মারা যাওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে জীবননগর পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাজাহান কবিরসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় শুভানুধ্যায়ীরা।
পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করে পার্শ্ববর্তী একটি কার্যালয়ের কক্ষে নেওয়া হয়। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় তার ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল জীবননগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগটি এখনো মামলা হিসেবে এজাহারভুক্ত হয়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে, ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছে। এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি.এম. তারিক-উজ-জামানকে।


