আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সুফিয়ান রায়হান।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এনসিপির চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার।
সুফিয়ান রায়হান এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব, দলের জাতীয় নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের সন্তান।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সারা দেশে গণভোটের জন্য অ্যাম্বাসেডরদের নাম ঘোষণা করেন। ঘোষিত অ্যাম্বাসেডররা নিজ নিজ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাবেন এবং সাংগঠনিকভাবে ভোটকে জয়যুক্ত করতে কাজ করবেন।
এরই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনের জন্য অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মনোনয়ন পান সুফিয়ান রায়হান। তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এগারো দলীয় জোট ‘ঐকবদ্ধ বাংলাদেশ’-এর স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার বলেন, ‘বৈষম্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া অপরিহার্য। ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একমাত্র পথই হলো ‘হ্যাঁ’ ভোট। ‘না’তে ফ্যাসিবাদ, আর ‘হ্যাঁ’তে জনগণ।’
অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সুফিয়ান রায়হান বলেন, ‘কুমিল্লা-১১ বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এখানকার মানুষ জীবন পর্যন্ত দিয়েছে। এমন একটি আসনে আমাকে গণভোটের অ্যাম্বাসেডর ঘোষণা করায় আমি দলের প্রতি কৃতজ্ঞ। ইনশাআল্লাহ, দলের এই আস্থার প্রতিদান দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমি চৌদ্দগ্রামের প্রতিটি অলিগলি চিনি। গণভোটের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ‘হ্যাঁ’কে জয়যুক্ত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। বর্ডার দখল ও বাজার দখলের রাজনীতি চৌদ্দগ্রামে চলবে না। মানুষের সচেতনতা ও সমর্থনে শেষ পর্যন্ত চৌদ্দগ্রামে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।’



