× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

জামিনে মুক্ত আ.লীগ নেতার বাসায় মিষ্টি নিয়ে গেলেন বিএনপি নেতা, সমালোচনার ঝড়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় মিষ্টি ও ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছেন উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় মিষ্টি ও ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছেন উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ। ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে আওয়ামী লীগ নেতা আখলাক হায়দার জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তার বাসায় মিষ্টি ও ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ। এ ঘটনা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তি পান। সেদিন রাতে তার সঙ্গে বিএনপি নেতা সোহেল আহমেদের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহেল আহমেদ একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। তবে এখনো আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলে এলাকায় গুঞ্জন আছে।

এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সঙ্গে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছেন। তিনি থানা বিএনপির নেতা হলেও আখলাক ভাইয়ের ঘনিষ্ঠজন।

কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, কারও বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? আমার কাছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দুই দলই সমান।

এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!