× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৭:২৭ পিএম

কেরানীগঞ্জে মাদরাসায় বিস্ফোরণ : রহস্য উদঘাটন

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৭:২৭ পিএম

ব্রিফিংয়ে কথা বলছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। ছবি- সংগৃহীত

ব্রিফিংয়ে কথা বলছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। ছবি- সংগৃহীত

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদরাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। 

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

হেফাজতে নেওয়া হয়েছে মাদরাসা পরিচালনা করা আল আমিনের স্ত্রী আসিয়া, আসিয়ার বড় ভাইয়ের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার এবং আসমানি খাতুনকে।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ‘ওখানে বেশ কিছু রাসায়নিক দ্রব্য মজুত ছিল। ঘটনাস্থল থেকে আরও কিছু বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট, অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট এবং সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। ব্যাপক তল্লাশির পর ল্যাপটপ, মনিটর, রাসায়নিক মজুত, ড্রামের মধ্যে লিকুইড রাসায়নিক এবং চারটি ককটেল সদৃশ বস্তু জব্দ করা হয়েছে।’

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মাদরাসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আল আমিন এবং তার স্ত্রী আসিয়া। বিল্ডিংটি ভাড়া নিয়ে ২০২২ সাল থেকে মাদরাসা পরিচালনা করে আসছিলেন। চার কক্ষের মধ্যে দুটিকে মাদরাসার কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। একটিতে তারা থাকতেন, অপরটি বসার কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

বিস্ফোরণে আসিয়া এবং তার তিন সন্তান আহত হন। এরপর আল আমিন তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকেই আল আমিন পলাতক।

মিজানুর রহমান আরও বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশি অভিযান শুরু করি। একপর্যায়ে আল আমিনের স্ত্রী আসিয়াকে হেফাজতে নিই। পাশাপাশি আসিয়ার বড় ভাইয়ের স্ত্রীর কাছ থেকে তথ্য নেওয়ার জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যমতে বাসাবো থেকে আসমানি খাতুনকেও হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনজনই হেফাজতে আছেন।’

বিস্ফোরণের কারণ এবং আল আমিনের কোনো উগ্র সংগঠনের সঙ্গে যোগসাজশ আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আল আমিনের নামে ঢাকার আশেপাশে কয়েকটি মামলা আছে। তিনি দুইবার গ্রেপ্তারও হয়েছেন এবং জেলও ছিলেন। ২০২৩ সালে জামিনে বের হয়ে কিছুদিন অটোরিকশা চালিয়েছেন, বর্তমানে উবার চালাতেন। আমরা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে, তবে তাদের মতামত এখনো পাওয়া যায়নি। যেহেতু ওখানে রাসায়নিক ও ককটেল সদৃশ বস্তু ছিল, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাসায়নিক বা বিস্ফোরক দ্রব্যের কোনো প্রতিক্রিয়ার কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে।

‘এটি কোনো নাশকতার অংশ ছিল কি না, এ বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। মামলা রেকর্ড হলে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদন পাওয়া যাবে এবং তখন বিস্তারিত জানানো হবে,’ যোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিস্ফোরণে মাদরাসার একতলা ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল ধ্বংস হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার একতলা ভবনে বিস্ফোরণ ঘটে।

Link copied!