কাজের সুবাদে পরিচয় দুই ভিনদেশি যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে বন্ধুত্ব, এরপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। প্রায় আট বছর ধরে চলা সেই সম্পর্কের টানে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ফেনীতে আসেন ফিলিপাইনের সেই যুবতী। পরে সনাতন ধর্মীয় রীতিতে সম্পন্ন হয় তাদের বিয়ে।
বুধবার (৪ মার্চ) রাতে ফেনী কালী মন্দিরে সাত পাকে বাঁধা পড়েন ফিলিপাইনের জেনি (৩২) ও নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার দরাপনগর গ্রামের সুজন পাল (৩৪)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কাজের সূত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অবস্থানকালে ২০১৮ সালে জেনির সঙ্গে পরিচয় হয় সুজনের। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব এবং পরবর্তীতে সেই সম্পর্ক গড়ায় ভালোবাসায়। দীর্ঘ আট বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর সম্প্রতি তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশে আসেন জেনি এবং পারিবারিক উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় তাদের বিয়ে।
বিয়ের পর অনুভূতি প্রকাশ করে জেনি বলেন, দীর্ঘ সময় সম্পর্কের পর আমি এখানে বিয়ের জন্য এসেছি। বাংলাদেশে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। এখানকার মানুষ ও পরিবেশ সবকিছুই আন্তরিক ও সুখকর।
সুজন পাল বলেন, প্রায় আট বছরের সম্পর্কের পূর্ণতা পেল আজ। আমরা সবসময় একসঙ্গে থাকতে চেয়েছি। সবার কাছে আমাদের জন্য আশীর্বাদ কামনা করছি।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন মন্দিরের পুরোহিত শ্রী নীমাই চন্দ্র চক্রবর্তী। তিনি জানান, তারা একে অপরকে ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। সুজনের পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রেমের টানে দুই দেশের দুই হৃদয়ের এই মিলন স্থানীয়দের মধ্যেও আনন্দের আবহ তৈরি করেছে।


