× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২৫, ০৫:২১ পিএম

ইপিজেড নির্মাণের দাবিতে পলাশবাড়িতে সমাবেশ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২৫, ০৫:২১ পিএম

ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার সাঁকোয়া ব্রিজ এলাকায় সাড়ে তিন শ বিঘা খাস জমিতে ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল) বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ি সড়কের সাঁকোয়া ব্রিজ এলাকায় ‘ইপিজেড বাস্তবায়ন মঞ্চ’-এর আয়োজনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিগত সরকার গাইবান্ধা জেলার উন্নয়নে কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এতে জেলার বেকারত্ব বেড়েছে। একসময় সাঁওতাল পল্লিতে ইপিজেড নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে সাঁওতালরা আন্দোলনে নামেন। ফলে সেই পরিকল্পনা স্থগিত হয়ে যায়।

বক্তারা আরও জানান, সাঁওতালদের বিরোধিতা এবং গাইবান্ধার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদার প্রেক্ষাপটে সাঁকোয়া এলাকায় সাড়ে তিন শ বিঘা খাস জমিতে ইপিজেড নির্মাণের দাবি জোরালো হয়েছে। এ দাবিকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ‘সাঁকোয়া ইপিজেড বাস্তবায়ন মঞ্চ’ নামে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে এই মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ‘সাঁকোয়া ইপিজেড বাস্তবায়ন মঞ্চ’-এর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুশলাষীষ চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবির তনু, আব্দুর হাই, জান্নাতুন রোমান, মোরশেদ হাসান, পরিতোষ কুমার সরকার, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, ‘গাইবান্ধার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি সাঁকোয়া এলাকায় ইপিজেড নির্মাণ। সরকার এই খাস জমিকে কাজে লাগিয়ে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ গ্রহণ করুক। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে গাইবান্ধার অর্থনীতিতেও গতি আসবে।’

Link copied!