× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৪:০০ পিএম

যুবলীগ নেতার বাড়িতে ৮ ঘোড়া জবাই, উদ্ধার ১১টি

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৪:০০ পিএম

জবাই করা ঘোড়া। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জবাই করা ঘোড়া। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাসক গ্রামে এক যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া ও ৮টি জবাই করা ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়ার মাংস বিক্রির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

জাহাঙ্গীর আলম দুর্গাপুর ইউনিয়নের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে এবং উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে লোকজনের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে তার বাড়ির দিকে এগিয়ে যায়। এ সময় যারা ঘোড়াগুলো জবাই করছিল, তারা লোকজন আসছে টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে উত্তেজিত জনতা একটি পিকআপ ভাঙচুর করে এবং আরেকটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। বর্তমানে তিনি প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় ফিরে এসে তার ডেইরি খামারের আড়ালে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

গাজীপুরের সহকারী কমিশনার (স্থানীয় সরকার শাখা ও ট্রেজারি শাখা) এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল জানান, অভিযানের সময় ৮টি জবাই করা ঘোড়া এবং খামার থেকে জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার করা হয়।

জবাই করা ঘোড়াগুলো মাটি চাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয় এবং জীবিত ঘোড়াগুলো স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান ও একটি পিকআপ পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. একেএম আতিকুর রহমান, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. এ. ওহাব খান খোকা এবং কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক জিহাদুল হকসহ অন্যান্যরা।

Link copied!