গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজির মামলায় মেহেদী হাসান রাসেল ও তার দুই সহযোগীকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে গোপালগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইয়াসিন আরাফাত এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রাসেল পলাতক রয়েছেন। অন্য দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান মিয়া ওরফে রাসেল গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার খাগড়াবাড়িয়া গ্রামের বালা মিয়ার ছেলে। অন্য দুই সহযোগী হলেন এস.এম সাজিদ ইয়াসিন ওরফে ইয়াসিন শেখ এবং আব্দুল্লাহ শেখ ওরফে আব্দুল্লাহ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৯ মার্চ কাশিয়ানী উপজেলার খাগড়াবাড়ী গ্রামে এস.এস মেটালস নামের একটি প্রতিষ্ঠানে যান সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আজিজুল ইসলাম মিয়ার কাছে চাঁদা দাবি করেন তারা।
এ ঘটনায় পরদিন ১০ মার্চ কাশিয়ানী থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রাসেল ও তার দুই সহযোগীকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।
বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এম.এ. আলম সেলিম এবং অ্যাডভোকেট ফয়সাল সিদ্দিকী। রায় ঘোষণার পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
এদিকে, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে গোপালগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা হত্যাকাণ্ডের মামলায় কাশিয়ানী থানার রাসেল বাহিনীর প্রধান মেহেদী হাসান রাসেলকে পুলিশ আটক করেছিল।
পরে তিনি জামিনে বেরিয়ে এলাকায় পুনরায় প্রভাব বিস্তার শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একাধিক চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে এবং তিনি একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।


