ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

রানা প্রতাপ হত্যা, তিন দিক সামনে রেখে তদন্তে পুলিশ

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
রানা প্রতাপ বৈরাগী। ছবি- সংগৃহীত

যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় প্রকাশ্যে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে (৪২) মাথায় গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিষয়গুলো হলো, নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি দল ছাড়ার জের, পেশাগত দ্বন্দ্ব এবং ব্যবসায়িক শত্রুতা। তবে এখনো হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। রানা প্রতাপ কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে।

জানা গেছে, রানা প্রতাপ বৈরাগী মণিরামপুরের কপালিয়া বাজারে একটি বরফকল স্থাপন করে ব্যবসা করতেন। তার ঘের ও মৎস্য ব্যবসাও ছিল। তিনি কেশবপুর কাটাখালি মৎস্য আড়ৎ সমিতির সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি নড়াইল থেকে প্রকাশিত দৈনিক বিডি খবর নামে একটি অনলাইন পোর্টালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করতেন। আগে তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি চরমপন্থি দলের সদস্য ছিলেন, তবে বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন। কেন তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো কেউ নিশ্চিত নন।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রজিউল্লাহ খান জানান, রানা প্রতাপের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত চলছে। খুব শিগগিরই হত্যার মোটিভ উদঘাটন করা হবে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কপালিয়া বাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন রানা প্রতাপ। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে তিনজন দুর্বৃত্ত এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই রানা প্রতাপ মারা যান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাতটি গুলির খোসা জব্দ করেছে।