× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম

শার্শায় জমে উঠছে বিএনপি-জামায়াতের লড়াই

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

যশোর-১ (শার্শা) আসনে ভোটের লড়াই দিন দিন আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে। এবারের নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নয়, বরং ভোটারদের প্রতিক্রিয়া ও স্থানীয় সমর্থকের মনোভাবের ওপরও নির্ভর করছে। আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় আসনটি এখন মূলত বিএনপি ও জামায়াতের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর-১ আসনে সীমান্ত জনপদ শার্শা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা অন্তর্ভুক্ত। দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলও এই আসনে অবস্থিত।

এবারে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলো- বিএনপির শার্শা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মুহাম্মদ আজীজুর রহমান, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বক্তিয়ার রহমান।

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ১১ হাজার ৬৩৩। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫৫ হাজার ৮০৭ জন, মহিলা ভোটার এক লাখ ৫৫ হাজার ৮২৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ৩ জন।

আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের দখলদারিত্বের পর যশোর-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের পুনরায় উত্থানকে রাজনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জনগণের আকাঙ্খা, দীর্ঘ দমন-পীড়নের ইতিহাস এবং বিরোধী দলগুলোর সক্রিয় প্রচেষ্টা এই আসনটিকে ‘নির্বাচনী হটস্পট’ হিসেবে পরিচিত করেছে।

স্থানীয় ভোটাররা জানান, আসনের জয়-পরাজয় নির্ভর করবে আওয়ামী লীগ ও সনাতনধর্মী সমর্থকদের ভোটের ওপর। তারা বলেন, যে প্রার্থী আমাদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাণিজ্য এবং হামলা-মামলা থেকে রক্ষা করতে পারবে, তার প্রতি আমাদের ভোট যাবে। পাশাপাশি স্থানীয় নেতাদের অতীত কর্মকান্ডও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য।

গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। দলের সভাপতি শেখ হাসিনাসহ অধিকাংশ নেতা পলাতক বা কারাগারে। সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরাও একই অবস্থায় থাকায়, বিএনপি ও জামায়াতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

ইতিহাস বিবেচনায়, যশোর-১ আসনে বিএনপি সর্বশেষ জয় পায় ২০০১ সালে, আর জামায়াত জয় পায় ১৯৮৬ সালে। বিগত ১২টি সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগ সাতবার, বিএনপি তিনবার এবং স্বতন্ত্র ও জামায়াত একবার করে বিজয়ী হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী ছিলেন জামায়াত নেতা মাওলানা আজীজুর রহমান। ওই নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিনের কাছে মাত্র প্রায় পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এবার মাওলানা আজীজুর রহমান জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার সর্বদলীয় জনপ্রিয়তা এবং শক্তিশালী ভোট বেসের কারণে আসনটি বিএনপির হাতে না গিয়ে জামায়াতের ঘরে যেতে পারে।

ভোটাররা মনে করছেন, শেষ পর্যন্ত কে বিজয়ী হবেন তা নির্ভর করবে নির্বাচনের দিনে ভোটার উপস্থিতি, শেষ মুহূর্তের রাজনৈতিক সমীকরণ এবং আ. লীগ সমর্থক ও সনাতনধর্মী ভোটের ওপর।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!