× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১১:২১ এএম

সন্ত্রাস চাঁদাবাজি মাদক কোনোটাই সহ্য করা হবে না : এমপি ইলেন

নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১১:২১ এএম

এমপি ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

এমপি ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। তার এই বার্তা নলছিটি পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অলিগলিতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার হচ্ছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঝালকাঠি সার্কিট হাউসে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্যের ভিত্তিতে এ মাইকিং কার্যক্রম শুরু হয়।

ঘোষণায় বলা হচ্ছে, এই আসনে কোনো চাঁদাবাজের ঠাঁই নেই। কেউ এমপির বা দলীয় নাম ব্যবহার করে মানুষকে জিম্মি করে ফায়দা লুটতে চাইলে তাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। অন্যায়কারী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাইকিংয়ে আরও প্রচার করা হয়, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সেবন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলা হয়েছে—সন্ত্রাস, মাদক ও নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য দিলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।

এ বিষয়ে এমপি ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন, আমি সবার এমপি। সাধারণ মানুষ শান্তিতে থাকতে চায়। তাই সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি বা নৈরাজ্যের পক্ষে আমি কোনো সুপারিশ গ্রহণ করব না। আমি জনগণের কাছে এ বিষয়ে ওয়াদাবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, কেউ আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে কোনো উজির-নাজির লাগবে না। সরাসরি কথা বলতে পারবে। অভিযোগ পেলে আগে সত্যতা যাচাই করে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘোষণায় টেন্ডার সিন্ডিকেট বা টেন্ডারবাজির বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য না থাকায় বিষয়টি নিয়েও এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যেমন মাইকিং করে হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তেমনি টেন্ডারবাজি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধেও যেন স্পষ্ট ও দৃশ্যমান অবস্থান নেওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে মাইকিং কিংবা অবস্থান ব্যক্ত করা হলেও জনমনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—তিনি কি সত্যিই প্রভাবশালী এসব চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবেন? নাকি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাপের মুখে পড়ে নীরব হয়ে যাবেন?

এমন অসংখ্য প্রশ্নের মাঝেও সচেতন মহলের মত, চূড়ান্ত মূল্যায়নের আগে তাকে কিছুটা সময় দেওয়া উচিত। বাস্তব পদক্ষেপই শেষ পর্যন্ত প্রমাণ করবে তার অবস্থান কতটা দৃঢ় ও কার্যকর।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!