× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

সুজন আলী হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি ইউপি সদস্য সেলিম গ্রেপ্তার

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

ইউপি সদস্য সেলিম হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

ইউপি সদস্য সেলিম হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় টাকা চুরির অভিযোগে সুজন আলী নামে এক যুবককে আটকে রেখে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি ইউপি সদস্য সেলিম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে রাজধানী ঢাকার তেজকুনিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের পাইকড় দাড়িয়া গ্রামের সোনাভান নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সুজন আলীকে (২৭) আটক করে স্থানীয়রা মারধর করেন। পরে তাকে গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেলিম হোসেনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ইউপি সদস্য সেলিম হোসেন সুজনকে কাশিরা বাজারে তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মারধর ও লাঠিপেটা করেন। পরদিন সকালে ওই কার্যালয়ের ভেতরে ফ্যানের হুকের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় সুজনের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর নিহত সুজন আলীর স্ত্রী মারুফা খাতুন গত ১৮ ডিসেম্বর আক্কেলপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইউপি সদস্য সেলিম হোসেনসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করা হয়।

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান আসামি ইউপি সদস্য সেলিম হোসেন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ঢাকার তেজকুনিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Link copied!