শীতের সকাল উপেক্ষা করে খুদে গণিতবিদদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে খুলনা জিলা স্কুল প্রাঙ্গণ। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে সেখানে শুরু হয়েছে ‘ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ও প্রথম আলো গণিত উৎসব ২০২৬’-এর খুলনার আঞ্চলিক পর্ব।
পঞ্চমবারের মতো গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে এসেছে যশোরের কেশবপুর পাইলট স্কুলের শিক্ষার্থী বর্ণ। বর্ণের মতো যশোর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৯ শতাধিক শিক্ষার্থী উৎসবে অংশ নেয়। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।
সকাল ৯টায় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। ‘গণিত শেখো, স্বপ্ন দেখো’—এই স্লোগান সামনে রেখে উদ্বোধন করেন খুলনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, গণিত উৎসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ ও প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি করছে এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে গণিতের গুরুত্ব তুলে ধরছে।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক খুলনার উপব্যবস্থাপক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, গণিতের ভয় জয় করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। হারজিতের বাইরে অংশগ্রহণই সবচেয়ে বড় অর্জন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক হায়দার আলী বিশ্বাস বলেন, গণিত কোনো ভয়ের বিষয় নয়—আজকের খুদে গণিতবিদরাই তা প্রমাণ করবে। গণিতভীতি দূর করতেই এই উৎসবের আয়োজন।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির আয়োজনে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সহযোগিতা করছে প্রথম আলো খুলনা বন্ধুসভা।
উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন প্রকাশনা ও শিক্ষাসামগ্রীর স্টল বসেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা স্টল ঘুরে দেখেন এবং বই কিনেন। সকাল ১০টা থেকে বিদ্যালয়ের ২৯টি কক্ষে গণিতের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষার ফল অনলাইনে প্রকাশ করা হবে।



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন