নড়াইল সদর উপজেলায় নিজ কন্যা শিশুকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তার মা আরিফা বেগম (২১)।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যার পরে নড়াইল সদর আমলি আদালতের বিচারক মো. মারুফ হাসান তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে নড়াইল জেলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
আরিফা বেগমের জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শিশু তাবাসসুম জন্মের পর থেকে অনেক কান্নাকাটি করত৷ তাকে সামলানোর জন্য মা আরিফা বাদে আর কেউ ছিল না। শিশুটিকে সামলাতে গিয়ে নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল আরিফা। সেই যন্ত্রণা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৭ টার মধ্যে যেকোনো সময়ে শিশুটিকে কোলে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে আরিফা।
এর আগে নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের আলুকদিয়া গ্রামে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শিশু তাবাসুমকে তার মা হত্যা করেছে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুটির মাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়।
নিহত শিশু তাবাসসুম উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী চাঁন মানিক মোল্যার মেয়ে। জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে আলুকদিয়া গ্রামের মো. খায়রুল বিশ্বাসের মেয়ে আরিফাকে উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী চাঁন মানিক মোল্যা বিয়ে করেন।


