ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সালিশ বৈঠকে বিএনপি কর্মীর ওপর হামলা, আহত ৩

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০২:২১ পিএম
সালিশে সংঘর্ষ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিরোধ মীমাংসার সালিশ বৈঠকে বিএনপি কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির দাবি, এতে তাদের ১০ থেকে ১২ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজনকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, তাদের দুই কর্মীও আহত হয়েছেন। 

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে খোকসা উপজেলার মাসালিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খোকসা থানার ওসি মোতালেব হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল, তবে উভয়পক্ষ এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করবে না বলে জানিয়েছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ওই আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেনের কর্মী-সমর্থকরা ভোটের প্রচারে যান। 

এ সময় এক বৃদ্ধ ভোটার ভোট ধানের শীষে দেবেন বলে জানান। এ নিয়ে সেখানে বিএনপি ও জামায়াত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এই বিরোধ মেটাতে বুধবার সকালে উভয়পক্ষের বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত হয়। সকালে এই বৈঠক শুরু হওয়ার এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরে জামায়াত ও শিবির কর্মী-সমর্থকরা বিএনপিকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।

এ ঘটনায় বিএনপির পক্ষে দাবি করা হয়েছে, তাদের ১০ থেকে ১২ জন কর্মী আহত হয়েছেন। এদিকে আহত বিএনপি কর্মী খাইরুল, তুহিন ও নিজামকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা জানান, জামায়াত ও শিবিরকর্মীরা তাদের ওপরে চাইনিজ কুড়াল ও চাইনিজ স্টিক দিয়ে হামলা চালায়।

এদিকে ওই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেন দাবি করেছেন, সালিশ বৈঠকে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তার দলেরও দুজন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু দাবি করেন, তার দলের অন্তত ১২ জন কর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, সালিশ বৈঠকে তাদের অল্প কয়েকজন লোক উপস্থিত ছিলেন। আর জামায়াতে ইসলামী পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫-৩০ জন লোক সেখানে হাজির করে। বৈঠক চলাকালে উত্তেজনা দেখা দিলে জামায়াত ও শিবিরকর্মীরা অতর্কিতে তার দলের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা জামায়াতকর্মীদের ওপর কোনো হামলা করেননি।