× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত আটক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় জামিলাতুন্নেছা মহিলা মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সি এক আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার সুপার ও প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভেড়ামারা থানা পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বাসিন্দা ওই শিশুটি প্রায় ৮ মাস আগে ভেড়ামারার চৈতন্য মোড়ে অবস্থিত জামিলাতুন্নেছা মহিলা মাদ্রাসায় ভর্তি হয়।

মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় তলায় আবাসিক ছাত্রীদের হোস্টেল এবং নিচতলায় সপরিবারে বসবাস করতেন অভিযুক্ত সুপার সাইদুর রহমান। পুরো মাদ্রাসায় তিনিই একমাত্র পুরুষ শিক্ষক ছিলেন।

গত রোববার (১৫ মার্চ) মাদ্রাসার ছুটির দিনে শিশুটির মা তাকে নিতে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। সুপারের স্ত্রী প্রথমে শিশুটির জ্বরের কথা জানান। পরে তাকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

সেখানে চিকিৎসায় কোনো উন্নতি না হলে এবং শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ভর্তির সময় এখানে ৪০-৪৫ জন ছাত্রী ছিল, এখন মাত্র ৭ জন আছে। ওরা আমার মেয়ের জীবন শেষ করে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘মেয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে রিশা ম্যাডাম মারধর করেছে এবং কাউকে বলতে নিষেধ করেছে। ঘটনার পর কী ওষুধ খাইয়ে আমার মেয়েকে তারা ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে। আমার মেয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে; সে এখন কোনো কথাই বলতে পারছে না। আমি এই নরপশুর কঠিন বিচার চাই।’

শিশুটির বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কোরআন শেখার জন্য মেয়েকে মাদ্রাসায় দিয়েছিলাম। এমন সর্বনাশ যেন আর কারও না হয়। এরা পশুর চেয়েও জঘন্য।’

জানতে চাইলে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার পল্লব সাহা বলেন, মেয়েটির পরিবার অভিযোগ করেছে যে, সে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

উপজেলা হাসপাতালে এ ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ সীমিত থাকায় পরিবার তাদের পরিচিত এক চিকিৎসকের পরামর্শে মেয়েটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।

ভেড়ামারা থানার ওসি মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসা পরিচালক অভিযুক্ত সাইদুর রহমানকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে, যার মামলা নং ১৩/১২। উক্ত বিষয় নিয়ে এলাকায় পক্ষ-বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!