× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম

দখলে খেলার মাঠ, মাদক ঝুঁকিতে তরুণ প্রজন্ম

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী চন্দ্রপুর ইউনিয়নে পুরো এলাকার জন্য একটি মাত্র খেলার মাঠ। চন্দ্রপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজসংলগ্ন চন্দ্রপুর পরিষদ মাঠ একসময় ছিল ক্রীড়াচর্চার প্রাণকেন্দ্র। বিকেল হলেই বিভিন্ন বয়সের মানুষ ফুটবল, ক্রিকেটসহ নানা খেলায় মেতে উঠতেন। আয়োজন হতো টুর্নামেন্ট, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। কিন্তু প্রায় ১২০ শতক সরকারি জমির এই মাঠ এখন আর আগের মতো নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দুই দশক ধরে প্রভাবশালীদের দখলে একের পর এক কমেছে মাঠের পরিধি। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মাঠের পশ্চিম ও উত্তর পাশে গড়ে তোলা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি দোকান ও বসতঘর।

খেলার মাঠটি পূর্ণ উদ্ধার ও খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ মানববন্ধন, মিছিল এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি জমি দখল করে নির্মিত এসব দোকানপাট মোটা অঙ্কের টাকায় বিক্রি করেছেন স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। ফলে একসময়ের বিশাল খোলা মাঠ এখন অনেকটাই বাড়িঘর ও দোকানের আঙিনায় পরিণত হয়েছে।

শুধু দখলই নয়, হাটবাজারের ময়লা-আবর্জনাও ফেলা হচ্ছে মাঠে। এতে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, খেলাধুলার পরিবেশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কিছু উদ্যোগী কিশোর-তরুণ এখনো খেলতে আসেন। কিন্তু তাদের বল দোকান বা বাড়ির আঙিনায় চলে গেলে শুনতে হয় কটূক্তি।

স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্তঘেঁষা এই ইউনিয়নে মাদকের বিস্তার আগেই উদ্বেগজনক। খেলার মতো স্বাস্থ্যকর পরিবেশ না থাকলে তরুণ প্রজন্ম আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। মাঠটি উদ্ধার করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহীদ ইশরাক বলেন, ‘ইতোমধ্যে স্থানীয় তহশিলদারকে দিয়ে মাঠের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ২০ থেকে ২৫টি অবৈধ দোকান রয়েছে। উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিমা আক্তার জাহান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। মাঠ পূর্ণ উদ্ধার ও খেলার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

Link copied!