লালমনিরহাটে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে অসংখ্য গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে এ ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে জেলার ৫ উপজেলার শত শত বসতবাড়ি ভেঙে গেছে।
পাশাপাশি হাজার হাজার বিঘা জমির উঠতি ফসল, বিশেষ করে ভুট্টা ও তামাকের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সরেজমিন ঘুরে ও খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, রাতের ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জেলার আদিতমারী উপজেলায়।
পাশাপাশি পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা, দলগ্রাম ও সদর উপজেলার অসংখ্য গ্রামের শত শত বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নষ্ট হয়ে গেছে হাজার হাজার বিঘা জমির ভুট্টা ও তামাকের ক্ষেত।
আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের বাসিন্দা সইদুল ইসলাম জানান, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঝড়ে তার বসতবাড়ি ভেঙে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। প্রাণে বাঁচতে তারা মাটিতে শুয়ে পড়ে। এ সময় তার মা চোখে আঘাত পান।
হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার ভুট্টা ক্ষেত মাটিতে শুয়ে গেছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উত্তম কুমার নন্দী জানান, তিনি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাচ্ছেন।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার জানান, রাতের ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নিতে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলছেন।
দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে উচ্চ মহলে কথা বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করা হবে।


