ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

শিবালয়ে সরকারি সার পাচারকালে ট্রাকসহ আটক ২

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
আটক দুইজন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে সরকারি সার অবৈধভাবে পাচারকালে একটি ট্রাকসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ টিএসপি ও এমওপি সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত সারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিক্তিতে উপজেলার আরিচা ৩ নম্বর ফেরিঘাটের সামনে এ অভিযান পরিচালিত করা হয়। অভিযানকালে ট্রাকটি থামিয়ে ড্রাইভার ও হেলপারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা প্রথমে ট্রাকে সিমেন্ট রয়েছে বলে জানায়। তবে কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, চালানে টিএসপি ও এমওপি সারের উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদে তারা ট্রাকে সার বহনের বিষয়টি স্বীকার করে।

আটকরা হলেন— মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার রাজধরপুর গ্রামের মো. জালাল বিশ্বাসের ছেলে মো. আশিক বিশ্বাস এবং কক্সবাজার (বর্তমানে ঘিওর, মানিকগঞ্জে বসবাসরত) জেলার রামু থানার মণ্ডলপাড়া গ্রামের আজিদ দাসের ছেলে উৎপল দাস ওরফে মুন্না।

পুলিশ জানায়, আটকরা ঘিওর উপজেলার কদমতলা এলাকায় পলাতক রিমন খানের মালিকানাধীন একটি গোডাউন থেকে সরকারি সার বোঝাই করে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার সরমজা বাজারে নয়ন এন্টারপ্রাইজে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। তবে তারা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সার পরিবহনের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

অভিযানকালে ট্রাক থেকে মোট ৫০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২২০ বস্তা টিএসপি (১১ হাজার কেজি) এবং ২৮০ বস্তা এমওপি সার (১৪ হাজার কেজি)। এ ছাড়া একটি টাটা ২০১৮ মডেলের কার্গো ট্রাক, চালান ফর্ম, ফেরি পারাপারের টিকিট ও ওজন স্কেলের কাগজ জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় পলাতক আসামি হিসেবে রিমন খান (৪৫), মো. তবারক হোসেন (৪৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শিবালয় থানার এসআই সুমন চক্রবর্তী জানান, সরকারি সার অবৈধভাবে মজুদ ও কালোবাজারে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পাচারের অভিযোগে ধৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।