× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১২:১০ এএম

মাদকসহ আটক আসামিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠালো পুলিশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১২:১০ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মাদকসহ এক ব্যক্তিকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশের কাছে সোপর্দ করলেও ওই মাদক ব্যবসায়ীকে মাদক মামলার পরিবর্তে সন্দেহভাজন হিসেবে ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

এতে আদালত থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পান ওই ব্যক্তি। গত ১ এপ্রিল বিকেলে উপজেলার বরুন্ডি গ্রামে আল মাবুদ (৩০) নামের ওই ব্যক্তিকে চার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আল মাবুদ পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাটুরিয়ার বরুন্ডি গ্রামে ভাঙ্গারি ব্যবসার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা করতেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, ওই দিন বিকেলে হযরত কদম রসূল শাহ বোগদাদী (র.) মাজারের কাছে মাদক বিক্রির সময় চার পিস ইয়াবাসহ আল মাবুদকে আটক করা হয়।

পরে পুলিশকে খবর দিলে সাটুরিয়া থানার এসআই মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন ঘটনাস্থলে আসেন এবং তাকে থানায় নিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, সবাই জানতো তাকে ইয়াবাসহ আটক করে মাদক মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরে জানা যায়, তাকে মাদক মামলার পরিবর্তে ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়, ফলে তিনি সহজেই জামিন পেয়ে যান।

এদিকে আদালত সূত্রে জানা গেছে, এসআই আব্বাস উদ্দিন লিখিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, আল মাবুদকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার অভিযোগে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তবে প্রতিবেদনে ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।

এ বিষয়ে এসআই আব্বাস উদ্দিন বলেন, ১ এপ্রিল তাকে আটক করা হয় এবং পরের দিন ২ এপ্রিল আদালতে সোপর্দ করা হয়। চারটি ইয়াবা দিয়ে মাদক মামলা হয় না এ কারণে ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাটুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামানকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রশ্ন করেন, “আপনি এটা কার কাছে শুনেছেন? থানায় এসে কথা বলেন”বলে ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!