× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম

মরদেহ পোড়ানো ঘটনার মূলহোতা ইয়াছিন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম

গ্রেপ্তার ইমাম ইয়াছিন আরাফাত। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

গ্রেপ্তার ইমাম ইয়াছিন আরাফাত। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ভালুকায় শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহে আগুন দেওয়ায় নেতৃত্ব দেওয়া ইমাম ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা থানার দক্ষিণ হবিরবাড়ি (কড়ইতলা মোড়) এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ১২ দিন দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনার দিন পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করার পেছনে মূল ভূমিকা ছিল আরাফাতের। উত্তেজিত জনতাকে উসকানি দিয়ে তিনি দিপুকে নির্মমভাবে মারধর করেন। দিপুকে হত্যার পর তার মরদেহ রশি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া এবং সেখানে মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় আরাফাত সরাসরি নেতৃত্ব দেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ইয়াছিন আরাফাত ভালুকার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও গত ১৮ মাস ধরে তিনি উপজেলার কাশর এলাকায় শেখবাড়ি মসজিদে ইমামতি এবং মদিনা তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে আসছিলেন। গত ১৮ ডিসেম্বর হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ১২ দিন পলাতক অবস্থায় তিনি ঢাকার ডেমরা এলাকার বিভিন্ন মাদ্রাসায় অবস্থান নেন এবং পরিচয় গোপন করে ‘সুফফা মাদ্রাসা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

ভালুকার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে কারখানা থেকে এক কিলোমিটার দূরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় সড়ক বিভাজকের একটি গাছে ঝুলিয়ে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

নিহত দীপু চন্দ্র দাসের বাড়ি জেলার তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামে। এ ঘটনায় তার ভাই অপু চন্দ্র দাস অজ্ঞাতপরিচয় ১৪০-১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় এ পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!