ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে জেল থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ‘ঘোড়া’ প্রতীক পেয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ার।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ শুরু হয়। ১১টি আসনে ৬৬ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হচ্ছে।
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ারের পক্ষে প্রতীক নিতে আসা শাহ তারিক ইস্কান্দার বলেন, ‘ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আমার বড় ভাইকে জেলে পাঠানো হয়েছে। জনগণ আমাদের পক্ষে থাকায় বড় ভাই প্রার্থী হয়েছেন। তবে আমাদের কর্মী-সমর্থকদের মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’
এদিকে, সকাল থেকে প্রার্থীরা দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক পেয়ে নিজ নিজ এলাকায় যাচ্ছেন।
ধানের শীষের প্রতীক পেয়ে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে। দীর্ঘ বছর পর এমন একটি নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে ছিল মানুষ। এবার ভোটাররা তাদের পছন্দমতো ভোট প্রয়োগ করতে পারবে। প্রচারণায়ও সকল প্রার্থী সমান সুযোগ পাবে।
নির্বাচিত হলে সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট-ধোবাউড়ায় মাদক চোরাচালান বন্ধে কঠোর হওয়ার কথা বলেন তিনি। মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন।
১১টি সংসদীয় আসনের ৯টিতেই বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন—এমন প্রশ্নে বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যাদের অবস্থান বিএনপির বিরুদ্ধে, তারা দলের সঙ্গে বেইমানি করছে। তাদের প্রতিবাদ জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দেবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার আসনেও বিএনপির একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তিনি আমাকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ফন্দি আঁটছেন। কিন্তু এতে সফল হতে পারছেন না। দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা আমার সঙ্গে রয়েছেন।’
১১টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচিত ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, উন্নয়নের স্বার্থে মানুষ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদান করবেন। সদরে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে।
এই আসনে ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, পরিবর্তনের লক্ষ্যে মানুষের রায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আসবে। মানুষ উন্নয়নের স্বার্থে পরিবর্তন চায়।



