× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বিরোধীরা: প্রিন্স

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। ছবি : সংগৃহীত

পুলিশ কর্মকর্তাকে কোপানোর ঘটনায় বিরোধীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট–ধোবাউড়া) আসনের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

এ সময় তিনি বলেন, কেউ আমার সঙ্গে ছবি তুললেই সে আমার কর্মী হয়ে যায় না। আমি রাজনীতি করি—অনেকেই অনুমতি নিয়ে বা না নিয়ে, এমনকি আমার অজান্তেও ছবি তোলে। সে কে, কারা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব নয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রিন্স বলেন, পুলিশ সদস্যের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীর কোনো ছাড় নেই, ক্ষমাও নেই। এই অমানুষের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।

তিনি বলেন নির্বাচনে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কতিপয় সমর্থক একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। পরে জানতে পারি, ছবিতে থাকা ছেলেটি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রুহুল আমিন খাঁনের ছেলে মো. লিয়ন। তার আচরণ বেয়াড়া এবং সে মাদকাসক্ত বলেও জানতে পেরেছি। পরিবারের কেউই তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

প্রিন্স বলেন, কিছুদিন আগে জামগড়া জামে মসজিদের ছাদ ঢালাই উপলক্ষে রুহুল আমিন খাঁনের আমন্ত্রণে এক দোয়া মাহফিলে অংশ নিই। সে সময় ওই যুবক আমার অগোচরে পেছনে দাঁড়িয়ে কাউকে দিয়ে ছবি তোলে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ঘটনার কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন করে অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের আহ্বান জানাই। এই ঘটনার সঙ্গে আমার বা আমার রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এ ধরনের কর্মকাণ্ড কখনোই সমর্থন করি না এবং ভবিষ্যতেও করব না।

তিনি আরও বলেন, পুলিশকে ধারালো দা দিয়ে আঘাত করা এই অপরাধীর সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি। হালুয়াঘাটে সন্ত্রাস ও মাদকের কোনো স্থান হবে না। আহত পুলিশ কনস্টেবলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি এবং তাঁর প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি জানাচ্ছি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে হালুয়াঘাট পৌরসভার পাগলপাড়া এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে তল্লাশিচৌকি বসায় পুলিশ। এ সময় একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালালে মো. লিয়নের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি তার বাবাকে জানাতে বাড়িতে গেলে ফেরার পথে এক পুলিশ সদস্যের পিঠে দা দিয়ে কোপ দেন লিয়ন। আহত পুলিশ সদস্যকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

হালুয়াঘাট থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজন চন্দ্র পাল জানান, এ ঘটনায় এএসআই নোয়াব আলী বাদী হয়ে লিয়ন ও অজ্ঞাতনামা একজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার লিয়নকে শনিবার আদালতে পাঠানো হবে।

আহত পুলিশ সদস্যের নাম ইজাউল হক ভূঁইয়া (৪৩)। তিনি হালুয়াঘাট থানায় কর্মরত।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!